নরসিংদী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৪ ১৮:২৩ পিএম
আপডেট : ০২ জুন ২০২৪ ১৯:৪৪ পিএম
রায় ঘোষণার পর আসামি জাহাঙ্গীরকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রবা ফটো
নরসিংদীর পলাশে প্রেমিকাকে হত্যা মামলায় জাহাঙ্গীর মিয়া নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেওয়া হয়।
রবিবার (২ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নরসিংদী জজ কোর্টের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার হালিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ইয়াসমিন আক্তার রিতা কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার শ্রীনগর এলাকার কবির মিয়ার মেয়ে। পলাশের তারগাঁও গ্রামে অবস্থিত ব্র্যাক অফিসের বাবুর্চির কাজ করত সে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার কোদালিয়া পূর্বপাড়া এলাকার উসমান গনির ছেলে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তারগাঁও গ্রামে অবস্থিত ব্র্যাক অফিসের বাবুর্চি রিতার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে যখন গভীর সর্ম্পক হয় তখন রিতা বিয়ের জন্য জাহাঙ্গীরকে চাপ দেয়। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর ২০২২ সালের ৭ অক্টোবর ব্র্যাক অফিসের একটি কক্ষে রিতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর নিহতের ভাই রাজু মিয়া বাদী হয়ে জাহাঙ্গীরের নামে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ বিচারিক আদালত রিতাকে হত্যার দায়ে জাহাঙ্গীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেওয়া হয়। মাত্র সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই রায় দেন আদালত।
নিহতের বাবা কবির মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়েকে যে হত্যা করেছে আদালত তাকে ফাঁসি দেবে এই আশা করেছিলাম। তবে আদালত বিচার বিবেচনা করে যে রায় দিয়েছে আমি তাতে খুশি।’