× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে টেনে ধরার ষড়যন্ত্র চলছে : নৌ প্রতিমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৪ ১৫:৩৫ পিএম

আপডেট : ০২ জুন ২০২৪ ১৯:২৯ পিএম

দিনাজপুরের বিরলে এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। প্রবা ফটো

দিনাজপুরের বিরলে এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। প্রবা ফটো

রাষ্ট্রবিরোধী চক্র এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে টেনে ধরার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। 

তিনি বলেছেন, সরকারের মধ্যে ঢুকে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কতিপয় গোষ্ঠী মহাপরিকল্পনা করছে। তারা শেখ হাসিনাকে টার্গেট করেছে। শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দিতে চায়, যেন বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে।

রবিবার (২ জুন) দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের গদাবাড়ী গ্রামে ‘কামবালা নিবাস’ হস্তান্তর ও ‘কামবালা সড়ক’ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমার রাজনৈতিক জীবনে একটি বিরল অভিজ্ঞতা গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। আমি এতদিন রাজনীতি করেও যেটা শিক্ষা লাভ করিনি, আমাদের গদাবাড়ী গ্রামের ৯২ বয়সের এই বৃদ্ধা কামবালা আমাকে সেই শিক্ষা দিয়েছেন। একটি ভোট– একটি এলাকার জন্য, একটি দেশের জন্য, সমগ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তিনি দেখিয়েছেন।

অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে কালিয়াগঞ্জ স্কুল মাঠে জানুয়ারির ৩ তারিখ নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছিলাম। সেই পথসভাটি জনসভায় রূপ নিয়েছিল। হাজার-হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে এত মানুষের ভিড় ঠেলে কামবালা তিনি তার প্রার্থীকে চিনেন না, তিনি যে আদর্শকে সমথর্ন করেন, যে দলের প্রতি তার ভরসা আছে, যে নেতৃত্বের প্রতি তার বিশ্বাস আছে, সেই নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের সভামঞ্চের দিকে এগিয়ে গেলেন। প্রার্থীকে খুঁজে নিয়েছেন। তিনি সেই সময় তার যৎসামান্য সঞ্চয় তুলে দিয়েছেন।

তিনি বলেন বলেন, “বাংলাদেশের প্রতীক, স্বাধীনতার প্রতীক, আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকার প্রতি কামবালা বেওয়ার অগাধ বিশ্বাস আছে। আমি যখন নৌকার ব্যাচ তাকে পরিয়ে দিচ্ছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন– আমি এই প্রতীক চিনি, এই প্রতীক আমাকে চেনাতে হবে না। নৌকা মার্কার প্রতি তার অগাধ আস্থা, বিশ্বাস– তা দেখে একজন প্রার্থীও একজন ভোটারের কাছে পরাজিত হয়ে গেছে। কামবালার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি– কামবালা হচ্ছে ‘ভোটার অব দ্যা ইলেকশন’। তিনি যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন, এটা শুধু ভোটের বিষয় না, শিক্ষণীয় বিষয়। একটি ভোট একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটি ভোট একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে পারে, একটি ভোট একটি জনগোষ্ঠীকে পুরো পৃথিবীতে জাগ্রত করতে পারে।”

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি ভোট মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছিলাম। তিনি বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু ২০০১ সালে নির্বাচনে বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। নির্যাতন, নিপীড়ন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ,  লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, হাওয়া ভবন করে দেশের মানুষকে সর্বশান্ত করেছে। তখন দেশের মানুষের কোনো স্বাধীনতা ছিল না, বাকস্বাধীনতার ছিল না, জীবনের নিরাপত্তা ছিল না, সংসদ সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা ছিল না। আজকের প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল। বাংলাদেশকে সন্ত্রাসবাদের জনপদ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে চেয়েছিল। সেই সন্ত্রাসবাদকে চ্যালেঞ্জ করে ভোটের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে গেছে। শুধু গদাবাড়ীর কামবালা নয়, বাংলাদেশের কোথাও ভূমিহীন থাকবে না। ধীরে ধীরে বাংলাদেশে ভুমিহীন শূণ্যের কোঠায় চলে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন বলে আমরা দারিদ্র্যতা জয় করেছি। বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। আপনার একটি ভোটের কারণে ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ‘গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট’ করবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ– কোনো ধরনের মিথ্যা প্রচার বা গুজবে কান দেবেন না।’

এ সময় দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সবুজার সিদ্দিক সাগর, সাধারণ সম্পাদক বাবু রমাকান্ত রায়, ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রতন চন্দ্র রায়সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা