× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হাতিয়ায় খালে মিলল ‘রাক্ষুসে’ সাকার ফিশ

নোয়াখালী প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৪ ১৯:০৩ পিএম

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪ ১৯:৫৯ পিএম

হাতিয়ায় খালে ধরা পড়েছে রাক্ষুসে সাকার ফিশ। প্রবা ফটো

হাতিয়ায় খালে ধরা পড়েছে রাক্ষুসে সাকার ফিশ। প্রবা ফটো

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় রাক্ষুসে সাকার ফিশ পাওয়া গেছে। শনিবার (১ জুন) সকালে হাতিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওছখালী খালে মাছটি ধরা পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা বেচু মিয়া ওছখালী খালে জাল ফেললে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি দেখতে ব্যতিক্রম হওয়ায় প্রথমে তিনি ভয় পেয়ে যান। তারপর একেকজন মাছটির একেক নাম দেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষজন মাছটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। মাছটির শারীরিক গঠন আকর্ষণীয়। কাঁটাযুক্ত শরীরজুড়ে তার নান্দনিক কারুকাজ। নাম সাকার মাউথ ক্যাটফিশ। শোভাবর্ধনের জন্য এই মাছ অ্যাকুরিয়ামে রাখা হয়।

মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, সাকার দেশীয় প্রজাতির মাছের ডিম ও রেণু খেয়ে মাছের বংশবিস্তারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ মাছ যেকোনো পরিবেশে বাঁচতে পারে এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের সঙ্গে খাদ্য ও বাসস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা করে। মাছটি খাওয়া যায় না। সর্বোপরি সাকার মাছ জলজ জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে। ফলে মাছটি নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বেচু মিয়া বলেন, এই মাছ খালে পাওয়া গেছে। এটার নাম কী, খাওয়া যাবে কি না, কিছুই আমি জানি না। মাছটার পুরো গায়ে  কাঁটা আছে। মানুষজন বলল, এটা নাকি সাকার ফিশ।

স্থানীয় যুবক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে মাছটি দেখতে যাই। পরে অনলাইনে সার্চ করে দেখি এটি ভয়ংকর সাকার ফিশ। এই মাছ যেখানে থাকে সেখানে অন্য মাছ হয় না। এরা মাছের রেণু খেয়ে ফেলে। এবারই আমি প্রথম হাতিয়ায় মাছটি দেখেছি। আবার কেউ কেউ আগেও দেখেছে বলে জানান। ওছখালী খালে জোয়ার আসে। হয়তো নদী থেকে এসেছে অথবা কারও অ্যাকুরিয়াম থেকে এসেছে।’

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহাদ হাসান বলেন, ‘এই মাছ অ্যাকুরিয়ামের শোভাবর্ধনের জন্যই আনা হয়েছিল এই দেশে। কিন্তু অসচেতনতার কারণে এটি আমাদের জলাশয়ে পাওয়া গেছে। হাতিয়া উপজেলায় সম্ভবত এটির প্রথম দেখা মিলল। যিনি মাছটি পেয়েছেন তার সঙ্গে কথা বলে সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, সাকার মাছ চাষ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। হাতিয়ায় যে মাছটি পাওয়া গেছে এটিকে সাকার মাউথ ক্যাটফিশ বলে অভিহিত করা হয়। সবার প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, যে পুকুর, জলাশয় কিংবা নদীতে এ মাছ পাওয়া যাবে সেটিকে যেন ধ্বংস করা হয়। কারণ সাকার ফিশ বা সাকার মাছ অন্য মাছগুলো দ্রুত খেয়ে ফেলে। এ বিষয়ে জেলায় জেলে ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা