রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৪ ১৮:২৬ পিএম
আপডেট : ০১ জুন ২০২৪ ১৮:৫২ পিএম
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। ফাইল ফটো
প্রাণনাশের শঙ্কায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাতে তার ব্যক্তিগত একজন সহকারী (পিএ) এবং ব্যক্তিগত আইনজীবী এজাজুল হক মানু গোদাগাড়ী থানায় এ জিডি করেন।
এমপি ফারুক চৌধুরী স্বাক্ষরিত জিডিতে উল্লেখ খরা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গোদাগাড়ী উপজেলার মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা ছিল। বাসা থেকে সভায় যাওয়ার আগে তিনি খবর পান, উপজেলা পরিষদ চত্বরে ২ থেকে ৩ হাজার আওয়ামী চেতনাবিরোধী সন্ত্রাসী সমবেত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউএন সমবেত হওয়ার জন্য কেউ অনুমতি নেননি।
জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপজেলা চত্বরে আসার পর কয়েকজন সাংবাদিক তাকে অপ্রাসঙ্গিক ও অবান্তর প্রশ্ন করলে তিনি তাদের পেশাদার সাংবাদিকের মতো প্রশ্ন করার অনুরোধ করেন। এ সময় তিনি জানতে পারেন, নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেলের নেতৃত্বে তার প্রাণনাশের জন্য পরিকল্পনা করে সেখানে জনসমাগম করা হয়েছে। অতঃপর তিনি সভা শেষ করে বাসায় ফিরে যান।
তবে গোদাগাড়ীর নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল বলেন, শপথগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার তার দায়িত্বভার গ্রহণের দিন ছিল। সেখানে সমাবেশ করতে তিনি কাউকে ডাকেননি। এমনকি সেখানে কোন বিশৃঙ্খলাও হয়নি।
এদিকে এমপির জিডির প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে)। শনিবার আরইউজের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী জিডিতে চরম মিথ্যাচার করেছেন। বিবৃতিতে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, এ বিষয়ে আদালতের কাছে তদন্তের অনুমতি চাওয়া হবে।
উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচনের রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বেলাল উদ্দিন সোহেলের সঙ্গে এমপি ফারুক চৌধুরীর সুসম্পর্ক থাকলেও গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে সোহেলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।