প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এ সংবাদ প্রকাশ
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৪ ১৮:১৫ পিএম
আপডেট : ৩১ মে ২০২৪ ১৮:৩০ পিএম
শুক্রবার আখাউড়া উপজেলার পানিবন্দি ৬৭ পরিবার ত্রাণের চাল পায়। প্রবা ফটো
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়ে বেশ কিছু পরিবার।
এনিয়ে বুধবার (২৯ মে) প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইনে ‘পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি নজরে আসে স্থানীয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের। তার নির্দেশে পানিবন্দি প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কেন্দুয়াই মেলার মাঠ এলাকার ৩০ পরিবার, মোগড়া ইউনিয়নের টানোয়াপাড়ায় ৩৫ পরিবার ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের দুই পরিবারকে এই ত্রাণের চাল দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম রাহাতুল ইসলাম, দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দীন, মোগড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এমএ মতিন, ইউপি সদস্য জাহার মিয়া ও রহিম মিয়া।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও এর আগের রাতের ভারী বর্ষণে আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ইউনিয়ন, মোগড়া ইউনিয়ন ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়। এতে তলিয়ে যায় সবজিক্ষেত, আউশ ধানের জমি ও বীজতলা। পানিবন্দি হয়ে পড়ে অনেক পরিবার।
কেন্দুয়াই মেলার মাঠ এলাকার বাসিন্দা ও রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরোদিয়া জানায়, মঙ্গলবার থেকে তাদের বাড়িতে পানি। রান্নাঘরেও পানি। মা কিছু রান্না করতে পারেনি। তাই মুড়ি খেয়ে স্কুলে গেছে। আজকে ত্রাণের চাল পেয়ে আরোদিয়া ও তার পরিবার খুব খুশি।
এ বিষয়ে আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দীন বলেন, ‘আমি ওই এলাকার মেম্বারের মাধ্যমে পানিবন্দি পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনকে পাঠিয়েছি। আজকে আমার ইউনিয়নের ৩০ পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দিয়েছি।’
এ ব্যাপারে কথা হলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আক্তার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আইনমন্ত্রী স্যার ও জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে ত্রাণ ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার পানিবন্দি ৬৭টি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।’