প্রতিদিনের বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশের পর
বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৪ ১১:১১ এএম
আপডেট : ২৯ মে ২০২৪ ১১:৪৬ এএম
বগুড়া সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী ইফতারুল ইসলাম মামুন। বাঁ পাশেরটা নমুনা প্রতীকের ছবি এবং ডান পাশেরটা ব্যালট পেপারের ছবি। দুটি ছবিতে অমিল রয়েছে। প্রবা কোলাজ
বরাদ্দ প্রতীকের সঙ্গে ব্যালট পেপারে ছাপানো প্রতীকের মিল না থাকা সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশের পর বগুড়া সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনে আপিল গ্রহণকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ চলবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বগুড়া সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইফতারুল ইসলাম মামুনকে আইসক্রিম প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতীক বরাদ্দের দিন তাকে কাঠিযুক্ত আইসক্রিমের যে ছবি দেখানো হয়েছিল আজ ভোটগ্রহণকালে ব্যালটে তার পরিবর্তে অন্য ধরনের আইসক্রিম প্রতীক দেখা গেছে। বিষয়টি ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর পরই প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়। পরে ওই প্রার্থী নিজেও আমাদের কাছে অভিযোগ করেন। এরপর বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনে অবহিত করলে কর্তৃপক্ষ ওই পদে ভোটগ্রহণ স্থগিতের নির্দেশ দেন।’
এর আগে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর পরই বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ইফতারুল ইসলাম মামুন প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, প্রতীক বরাদ্দের দিন তাকে কাঠিওয়ালা আইসক্রিমের ছবি দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি সেই আইসক্রিমের ছবি নিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাই এবং পোস্টারেও তা সংযুক্ত করি। কিন্তু আজ ভোট শুরু হওয়ার পর দেখলাম ব্যালটে আমার সেই প্রতীক নেই। কাঠিওয়ালা আইসক্রিমের বদলে কুলফি (কোন জাতীয়) আইসক্রিমের ছবি দেওয়া হয়েছে। এতে ভোটাররা আমার প্রতীক চিনতে পারছেন না। বিষয়টি আমি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানোর পর তিনি ফেসুবকে প্রচার চালানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু তাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না।’
বরাদ্দ করা প্রতীকের সঙ্গে ব্যালট পেপারে দেখানো প্রতীকের অমিলের কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বগুড়ার অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আবু ছাইদ আজ সকালে বলেছিলেন, ‘আমাদের কমিশন থেকে অতিরিক্ত তিনটি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে শুধু আইসক্রিম প্রতীক ছিল। কিন্তু কোনো নমুনা ছবি ছিল না। পরে সচরাচর যে আইসক্রিম হয় সেই ছবি দিয়ে তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আজ ব্যালটে সচরাচর সেই আইসক্রিমের পরিবর্তে কুলফি আইসক্রিমের ছবি দেখা যায়।’