প্রতিদিনের বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২২ ১৮:২৩ পিএম
আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২২ ১৮:৪১ পিএম
ফাইল ছবি
চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খিলছাদেক গ্রামে যতদূর চোখ যায় দেখা মিলবে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আখের আবাদ।
মাতামুহুরী নদীর তীর ঘেঁষে যুগ যুগ ধরে বিস্তীর্ণ এলাকায় হয়ে আসছে আখ চাষ। আখ চাষ করে স্বচ্ছল জীবনযাপন করছেন অনেকেই।
স্থানীয় কৃষক উমর ফারুক ও আব্দুল করিম বলেন, এক একর জমিতে আখ চাষ করেছেন তারা। এবার তারা সব দায়দেনা শোধ করে দুই লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন দেখছেন।
আখ খেতে খুবই সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই বেশি দামও পাচ্ছেন কৃষকরা। সাদা জাতের আখ ছাড়াও অঞ্চলটিতে লাল জাতের আখ চাষ করা হয়।
জমি থেকেই ক্রেতারা পাইকারি ১৫-২০ টাকা পিস হিসেবে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। জমি থেকে আখ কিনে নিয়ে খুচরা বিক্রেতারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৩০, ৪০ বা ৫০ টাকায় বিক্রি করেন।
চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাছিম হোসাইন জানান, গত বছর আখ চাষ ছিল ৩২ হেক্টর জমিতে, তা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩৫ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। আখ একটি উচ্চমূল্যের ফসল, মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
চকরিয়া উপজেলার বাটাখালী, পালাকাটা, করাইয়াঘোনা, মাইজঘোনাসহ উপজেলার নানা এলাকায় আখের চাষ হয়।
প্রবা/এনএস/ এসআর