প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৪ ১৯:১৬ পিএম
আপডেট : ২৩ মে ২০২৪ ১৯:৪৯ পিএম
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ‘অতিরঞ্জিত’ সংবাদ বন্ধে একটা ব্যবস্থাপনা থাকা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তবে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষপাতী নন তিনি।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সাংবাদিকরা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বিভিন্ন মাধ্যমে সেটা বিতরণ করেন। তাতে করে আমরা যারা দায়িত্বে আছি, তারা সতর্ক হওয়ার একটা সুযোগ পাই। ভুলত্রুটি নিরূপণ করার একটা সুযোগ পাই। কখনও কখনও হয়তো বিভিন্ন খবরাখবর এমনভাবে উপস্থাপন হয়, যা অতিরঞ্জিত। যেখানে হয়তো সত্য তথ্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করে। এ রকম বিষয়কে আমরা নিরুৎসাহিত করি।’
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনার প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র পরিচালনায় সাংবাদিকদের অপরিহার্যতা উল্লেখ করতে গিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় যেমন রাজনীতিবিদদের প্রয়োজন আছে, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আমলার প্রয়োজন আছে, ঠিক তেমনি সাংবাদিকদেরও প্রয়োজন আছে। ভুলত্রুটি ও বিচ্যুতি পরিহার করে আমি সাংবাদিকতার উন্মুক্ত ব্যবহারকে স্বাগত জানাই।’
ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ২০১৯ সাল থেকে মূলত ডেঙ্গুর তীব্রতা এবং এর প্রভাব প্রত্যক্ষ করছি। শুধু আমরা নই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারতও অনেক আগে থেকে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। আমরা যেহেতু পরে আক্রান্ত হয়েছি, কাজেই আমাদের সুযোগ ছিল এসব দেশের কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার। আমরা সেটা করেছি। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তারা যা করেছে সব পদ্ধতি আমলে নিয়ে আমরা কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছি।’
‘ইতোমধ্যে আমি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকেও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় যেমন সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি, মিয়ামি ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির সঙ্গে ভার্চুয়ালি সভাও করেছি। মোটকথা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি বিস্তৃত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে,’ যোগ করেন মন্ত্রী।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকর আলী শুভর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।