প্রভা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০০:১৬ এএম
শনিবার অমর একুশের বইমেলায় এসবি প্রধান মনিরুল ইসলামকে কাছে পেয়ে অটোগ্রাফ নিতে ভোলেননি পাঠকরা। প্রবা ফটো
শিল্পী, খেলোয়াড় কিংবা বিশিষ্টজনদের কাছে পেলেই ভক্তরা অটোগ্রাফ নেন। সভা, সেমিনারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে আমাকেও দুএকটা অটোগ্রাফ দিতে হয় পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে। কিন্তু লেখক হিসেবে যখন বইয়ের পাতায় অটোগ্রাফ দেই, তখন যে আনন্দ পাই-এক কথায় তা অসাধারণ।
কথাগুলো বলছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশের বইমেলায় প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি লেখক হিসেবে এই অনুভূতি প্রকাশ করেন।
ছুটির দিনের বইমেলায় যখন হাজার মানুষের পদচারণা তখন মনিরুল ইসলামকে দেখা যায় ‘কবি প্রকাশনের’ সামনে দাঁড়িয়ে একের পর এক অটোগ্রাফ দিয়ে যাচ্ছেন। এ বছর তার নতুন কোনো বই আসেনি। গতবছরে প্রকাশিত ‘পথ ভোলা পথিকেরা’ পাঠক প্রিয়তা পায়। এ বছরেও অনেকেই বইটি সংগ্রহ করতে বইমেলায় আসছেন। প্রিয় লেখককে কাছে পেয়ে অনেকেই তার সঙ্গে ছবি তুলেছেন।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘একজন লেখক যখন বইয়ের পাতায় অটোগ্রাফ দেন তার কাছে অন্যরকম একটা আনন্দ অনুভূত হয়। এই আনন্দ পেতে ছুটে আসি বইমেলায়। এবারাও দুই দিন আসা হয়েছে।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানী ঢাকার অভিজাত গুলশান এলাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে উগ্রপন্থিরা। দেশি-বিদেশি ২২ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়া সেই হামলার ঘটনাকে প্লট হিসেবে বেছে নিয়েছেন মনিরুল ইসলাম।
ইসলামী উগ্রপন্থিদের আতুঁড়ঘরের তত্ত্ব তিনি তালাশ করেছেন পেশাগত দায়বদ্ধতা থেকে। উপন্যাসের উৎসর্গপত্রে তিনি লিখেছেন,
“উৎসর্গ
সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে আত্মোৎসর্গকারী পুলিশ সদস্য
ও
সন্ত্রাসবাদের শিকার সকল দেশি-বিদেশী নিরীহ মানুষ।”
শিল্পী ধ্রব এষের নান্দনিক প্রচ্ছদে প্রকাশিত ‘পথ ভোলা পথিকেরা’ এক অসামান্য প্রামান্য গ্রন্থ।