প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:২৪ পিএম
পুলিশ স্টাফ কলেজের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘রিলেশনশিপ বিটুয়িন ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড একাডেমিয়া ফর দ্যা গ্রোথ অফ প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা। প্রবা ফটো
পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর ড. মল্লিক ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকারের রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে ও স্মার্ট পুলিশিংয়ের জন্য পেশাদার নিরাপত্তা সংস্থাসমূহ এবং সিভিল সোসাইটির অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’
মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ স্টাফ কলেজের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘রিলেশনশিপ বিটুয়িন ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড একাডেমিয়া ফর দ্যা গ্রোথ অফ প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
এস. এম. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রবেশনাল সিকিউরিটি সার্ভিসেস প্রোপাইটরস এ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএসপিএ) সভাপতি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) খালিদ আজম।
সেমিনারে কী-নোট স্পিকার হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আজিজ, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও মো. গোলাম রসুল। এ ছাড়া সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন- প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানী ও সংশ্লিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন, করপোরেট হাউজ, ব্যাংক, বীমা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নিরাপত্তা বিশ্লেষকসহ দেশি-বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনরে প্রতিনিধি এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের অনুষদ সদস্যরা। এদিকে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম, মাঈনুর রহমান, রেজা আহমেদ চৌধুরী, মো. হাতেম প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
ড. মল্লিক ফখরুল ইসলাম বলেন, সিকিউরিটি সার্ভিস সংস্থাগুলো এগিয়ে এলে কলেজের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে। দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট কোর্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রাইভেট সিসিউরিটি এবং পুলিশ একই লক্ষে তথা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করছে। পারস্পরিক সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে সেতু বন্ধনের ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল হিসেবে প্রাইভেট সিকিউরিটি সংস্থার কর্মীদের গড়ে তোলা সম্ভব হলে একদিকে যেমন এ সেক্টরে জনবলের ঘাটতি পূরণ হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে তরুণ জনগোষ্ঠির জন্য দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আশা করি দুই সেমিস্টার, ৪০ ক্রেডিট সমৃদ্ধ এ কোর্সটি বাস্তবায়নে এ সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের মূল্যবান মতামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খালিদ আজম বলেন, প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি এর উন্নতির স্বার্থে একাডেমি/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি এর সমন্বয় প্রয়োজন। প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি এর উন্নয়নে সহযোগী হিসেবে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্টের উপর একটি পিজিডি কোর্স চালু করতে যাচ্ছে, যা দক্ষ জনশক্তি তৈরীর ক্ষেত্রে কলেজের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। পুলিশ স্টাফ কলেজের সঙ্গে পরবর্তীতে সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত গবেষণায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।