প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ১০:৫৮ এএম
আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ২২:৫২ পিএম
চলমান অবরোধের সময় রাস্তায় গাড়ি খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। আর যেদিন অবরোধ বা হরতাল থাকে না, সেদিন রাস্তায় দেখা দেয় প্রচণ্ড যানজট। তবে হরতাল-অবরোধ থাকুক বা না থাকুক, সবার অফিস কিন্তু খোলাই থাকছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সুমনের প্রায়ই সকালে মিটিং থাকে। তার বাসা ধানমণ্ডিতে এবং অফিস করার জন্য প্রতিদিন তাকে গুলশানে যেতে হয়।
নিজের অবস্থার কথা জানিয়ে সুমন বলেন, “আমার মিটিং প্রায়ই সকাল ১০টায় শুরু হয়। আমার নিজের গাড়ি নেই, আবার দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ি খোঁজার সময়ও থাকে না। অবরোধের সময় রাস্তায় গণপরিবহন পাওয়া যায় না, আবার অন্যান্য দিনও লম্বা সময় জ্যামে বসে থাকতে থাকতে দেরি হয়ে যায়।”
তিনি আরও জানান, ‘এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমি এখন মটো রাইডশেয়ারিং ব্যবহার করি। উবারের মতো রাইডশেয়ারিং সার্ভিসগুলোর মাধ্যমে আমি খুব সহজেই রাইড পেয়ে যাই। জ্যাম কাটিয়ে মোটরসাইকেলে খুব সহজেই গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারি, তাই জ্যামে আটকে থাকা নিয়েও আমার চিন্তা করতে হয় না।’
ঢাকার রাস্তায় দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য মোটরসাইকেলই সবচেয়ে সুবিধাজনক। রাইডশেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম বেশ সুবিধাজনক। আপনাকে গণপরিবহনের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না, গণপরিবহনের ভিড়যুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশও সহ্য করতে হবে না। তাছাড়া ঠিক সময়ে গন্তব্যেও পৌঁছাতে পারবেন।
শহরের যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময় রাইড বুক করা যায়। উবারের মতো রাইডশেয়ারিং সার্ভিসগুলো নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সার্বক্ষণিক জিপিএস ট্র্যাকিং, লাইভ লোকেশন শেয়ারিং, সেইফটি টুলকিট, হটলাইন, ইন্স্যুরেন্স পলিসিসহ নানা ধরনের নিরাপত্তার ফিচার এখানে রয়েছে। চালকের ছবি, রেটিংসহ প্রয়োজনীয় তথ্যও আপনি জানতে পারবেন।
তবে মোটরসাইকেলে অফলাইন রাইড পরিহার করে চলা উচিত। এ ধরনের রাইড বেশ বিপজ্জনক ও মারাত্মক হতে পারে।