প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২২ ১০:৩৭ এএম
আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২২ ১২:৪৭ পিএম
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সোমবার দিনভর বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয় রাজধানীতে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে বৃষ্টি না হলেও বিভিন্ন সড়কে দেখা গেছে জলাবদ্ধতা। কোথাও কোথাও উপড়ে পড়ে আছে গাছ। স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ সরবরাহ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, সাইন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, মতিঝিল, পল্টন, পূর্ব তেজতুরী বাজার, মহাখালী, ধানমন্ডি, বনানী, বাড্ডা, পুরান ঢাকার অনেক জায়গা, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।
মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার নাজমুল হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ডিওএইচএস এলাকায় পানি জমে আছে। অনেক জায়গায় হাঁটু পর্যন্ত পানি।
আগের দিন রাতে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় বিতরণ লাইনে নানারকম ত্রুটি দেখা দেয়। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকা। মঙ্গলবার সকালেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সন্ধ্যার পর থেকে তার বাসায় বিদ্যুৎ নেই। মাঝে একবার এক মিনিটের মতো এলেও আবার চলে গেছে। টিভি দেখতে পারছেন না। তাই মোবাইলে অনলাইন মাধ্যমগুলো থেকে ঝড়ের আপডেট পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
রাজধানীর বনশ্রীর বাসিন্দা দিলরুবা সুলতানা বলেন, রাত ৯টার দিকে তার বাসার বিদ্যুৎ চলে যায়। ১০টার দিকে একবার একঝলক এসেছিল, এরপর আর আসেনি।
সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঢাকার বাইরে আরও ১ কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। আরইবি তাদের ৩১টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ২১ জেলার বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুৎ নেই।
ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে। বৃষ্টির কারণে অনেক ট্রান্সফরমার বিকল হয়েছে। সেগুলো সারতে সময় লাগছে।’
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তা থেকে ঝড়ে পড়ে যাওয়া কমপক্ষে ১০০ গাছ সরানো হয়েছে। কোথাও কোথাও এখনো কাজ চলছে। এ ছাড়া কয়েক জায়গায় আগুন ছিল, নেভানো হয়েছে।’
প্রবা/জেও