প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:০৫ পিএম
আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:১৩ পিএম
মেট্রোরেল। ফাইল ফটো
বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল শুরু হচ্ছে রবিবার (৫ নভেম্বর) থেকে। শনিবার এই অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই দিন তিনি মেট্রোরেলের হেমায়েতপুর-গুলশান পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর রুট) -এর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন। এ কারণে শনিবার উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এমএনএ সিদ্দিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শনিবার দুপুর আড়াইটায় আগারগাঁও স্টেশন থেকে আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন।’
তিনি আরও জানান, একই দিন প্রধানমন্ত্রী এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর রুট)-এর নির্মাণকাজও উদ্বোধন করবেন। এই লাইন হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা হয়ে গাবতলী, মিরপুর-১০, গুলশান পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার হবে। ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালে।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের প্রথম ধাপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
আগারগাঁও-মতিঝিল তিন স্টেশন
আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে মেট্রোরেলের স্টেশন তিনটি। আগারগাঁও পার হয়ে প্রথম স্টেশন ফার্মগেট, এরপর সচিবালয় এবং শেষ স্টেশন মতিঝিল। চলাচলের সময় এই তিন স্টেশনে মেট্রোরেল থামবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করবে। সকাল সাড়ে ১১টার পর মতিঝিল থেকে আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও চলবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।
তিনি আরও জানান, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার মেট্রোরেলের পথ বাড়ানো হয়েছে। বর্ধিত অংশ ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে। প্রতিটি ট্রেন ২ হাজার ৩০০ যাত্রী নিয়ে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। তবে বাঁকযুক্ত এলাকায় গতি কমে যাবে।
আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর রাজধানীর ওপর চাপ কমাতে নানা উদ্যোগ নেয়। যানজট নিরসনে রাজধানীজুড়ে মেট্রোরেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রকল্পের বিবরণে জানা গেছে।
মেট্রোরেল প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী এবং প্রতিদিন পাঁচ লাখ যাত্রী বহন করতে সক্ষম হবে। প্রতি চার মিনিটে প্রতিটি স্টেশনে একটি ট্রেন আসবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) মেট্রোরেল নির্মাণ করছে এবং প্রকল্পে সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। জাইকা প্রকল্পের জন্য ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে।