গবেষণা ফলাফল
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৫৫ পিএম
আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৩ ২২:১৬ পিএম
ইউনিভার্সিটি অব লিডস, আর্ক ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের যৌথ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে অতিথিরা। প্রবা ফটো
সংগীত, নাটক, পাপেট, ছবির মতো সৃজনশীল মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হলে তা প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতির চেয়ে অধিক কার্যকর। বিজ্ঞান, স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য শিক্ষায় এটি কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে এক যৌথ গবেষণায়।
‘শহুরের বস্তিবাসীদের সাথে শিল্প ও স্বাস্থ্যের একীভূতকরণ : বাংলাদেশের মূল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে স্টিম শিক্ষাব্যবস্থার উদ্যোগ’ শীর্ষক গবেষণায় এ দাবি করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব লিডস, আর্ক ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের যৌথ গবেষণার ফলাফল বুধবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল সারিনায় প্রকাশ করা হয়। ঢাকা মহানগরীর অনানুষ্ঠানিক স্কুলগুলোয় সৃষ্টিশীল মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষার ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
গবেষণায় দেখা যায়, বাংলা ও গণিতে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ, কিন্তু ইংরেজি ও বিজ্ঞানে তাদের অনাগ্রহ রয়েছে। সীমিত শিক্ষার কৌশল জানার কারণে শিক্ষকরা ইংরেজি ও বিজ্ঞান শেখানোকে চ্যালেঞ্জিং মনে করেন। করোনা মহামারির লকডাউনের সময় অনানুষ্ঠানিক স্কুলগুলো উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছিল। এ সময় শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা, হাত ধোয়ার নিয়ম এবং সামাজিক দূরত্ব বজায়সহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়ে শিখিয়েছেন। করোনা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা অভিভাবকদের চেয়ে বেশি ছিল বলে উঠে এসেছে গবেষণায়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও আর্ক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. রুমানা হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপ্রকল্প পরিচালক এসএম মোর্শেদ বিপুল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর উপপ্রধান মো. মোখলেছুর রহমান, লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের নুফিল্ড সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের অধ্যাপক ড. মহুয়া দাস, প্রজেক্ট অফিসার জর্জিয়া পাপাটজিকাকি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক জাহিদুল কাইয়ুম প্রমুখ।