প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:২০ পিএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৫৩ পিএম
খেলাঘরের চেয়ারম্যান শহীদজায়া অধ্যাপক পান্না কায়সারের মহাপ্রয়াণে আয়োজিত শোকসভায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিশিষ্টজনরা। প্রবা ফটো
শহীদজায়া পান্না কায়সারকে শিশুদের জন্য চেতনার বাতিঘর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেন, আজকের শিশুদের একটি অংশ নানা কারণে অন্ধকারের পথে পা বাড়িয়েছে। বৈরি পরিস্থিতিতে পান্না কায়সার আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের নিয়ে সারা দেশে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন চেতনার বাতিঘর।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘরের চেয়ারম্যান শহীদজায়া অধ্যাপক পান্না কায়সারের মহাপ্রয়াণে আয়োজিত শোকসভায় অংশ নিয়ে বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন।
শোকসভায় সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্নার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নূরুল হুদা, সিপিবির সাবেক সভপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সেলিম, ম. হামিদ, অমিত রঞ্জন দে, ড. শাহাদত হোসেন নিপু, ভারতের সব পেয়েছি আসরের সাধারণ সম্পাদক অপরেশ মজুমদার, তরুণ চক্রবর্তী, কামাল চৌধুরী, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, পান্না কায়সারের ছেলে অমিতাভ কায়সার, মেয়ে শমী কায়সার, আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, শফিকুর রহমান শহীদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই মানুষটির নাম বাঁচিয়ে রাখতে হলে শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তেলার পাশাপাশি খেলাঘর আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে। সুকর্মের মধ্য দিয়ে শহীদজায়া পান্না কায়সার শিশু-কিশোরদের মধ্যে অমর হয়ে থাকবেন।
তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশপ্রেমিক নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রয়েছে তার। একইসঙ্গে অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধের সমাজ গঠনে তার অবদান অনস্বীকার্য। তা ছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করছেন।
বক্তারা বলেন, অন্ধকারের শক্তি প্রবল হয়ে আমাদের সব অর্জন আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আজ নানা সংকটের মুখে। দেশটা আজ পাকিস্তানের মতো খারাপ জায়গায় গেছে। তাই সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে। তাহলে তার আত্মা যেমন শান্তি পাবে, আদর্শের বাস্তবায়নও হবে।