× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সেন্ট্রাল হাসপাতালে ফের অবহেলায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৩ ১৩:৫১ পিএম

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৩ ১৫:৫৪ পিএম

সেন্ট্রাল হাসপাতালে অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এক শিশুর পরিবার। প্রবা ফটো

সেন্ট্রাল হাসপাতালে অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এক শিশুর পরিবার। প্রবা ফটো

রাজধানীর গ্রিনরোডে অবস্থিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে এবার চিকিৎসকের অবহেলায় হাবিবা হীরা চৌধুরী নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির পরিবার বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায় অতিমাত্রায় এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের ফলে লিভার নষ্ট হয়ে হাবিবা মারা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন শিশুটির মা আইনজীবী সুফিয়া পারভীন।

গত মাসেই এই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। পরে হাসপাতালটির চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে ৭ দফা নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরমধ্যে অন্যতম হলো সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ রাখা ও চিকিৎসক সংযুক্তা সাহাকে চিকিৎসা কার্যক্রমের বাইরে রাখার নির্দেশনা। এরমধ্যেই আবার নতুন করে একই অভিযোগ উঠল হাসপাতালটির বিরুদ্ধে।

সংবাদ সম্মেলনে আইনজবী সুফিয়া পারভীন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার একমাত্র সন্তানের বয়স সাড়ে ৬ বছর। জ্বর হওয়ায় গত ৭ জুলাই সেন্ট্রাল হসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতলের ৪২২ নম্বর কেবিনে অধ্যাপক এ এফ এম সেলিমের তত্ত্বাবধানে তাকে ভর্তি করি। একইদিন পরীক্ষায় আমার মেয়ের শরীরে ডেঙ্গু ধরা পরে। প্রথমে স্যালাইনের সঙ্গে জ্বরের ওষুধ দেন চিকিৎসকরা। রাতেই তাকে স্যালাইনের মাধ্যমে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। পরে আবার রোফেসিন নামক উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক দেওয়া। এভাবে কয়েক ধরনের এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের পর আমার মেয়ের লিভার ড্যামেজ হতে থাকে। তার পায়খানার সঙ্গে রক্ত আসতে শুরু করে। বিষয়টি জানানোর জন্য হাসপাতালে নার্স ছাড়া কাউকে পাইনি। চারটি ফ্লোরের জন্য একজন ডিউটি ডাক্তার থাকেন। বসেন সপ্তম তলায়। কিন্তু রুমে গেলে বেশিরভাগ সময় দেখা যায় না। প্রফেসর সেলিম ভর্তির পর থেকে মাত্র তিনবার রোগীর কাছে এসেছেন। এখানে চিকিৎসকই খুঁজে পাইনি।’

সুফিয়া পারভীন বলেন, ‘গত ১০ জুলাই রাতে ডাক্তার আমার মেয়েকে দেখতে এসে ব্লাড প্রেসার ও পালস পাচ্ছিল না। এরপর আমাদের বলেন, রোগীর অবস্থা ভালো না। তাকে জরুরি ভিত্তিতে পিআইসিইউ সাপোর্ট দিতে হবে। সেই ব্যবস্থা সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেই। তাদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে বেশ কিছু পরীক্ষার মধ্যে ফেরিটিন নামক একটি পরীক্ষা দেওয়া হয়। যেখানে একজন শিশুর ফেরিটিনের মাত্রা ৭ থেকে ১৪০ ফেরিটিন থাকার কথা সেখানে হাবিবার ফেরিটিন ধরা পড়ে ২১ হাজার ৪৮৩। শ্বাস, হার্টেসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। এই রিপোর্ট দেখেই সেখানকার চিকিৎসকরা বিড়বিড় করে বলে বসেন সব তো শেষ করে নিয়ে আসছেন। রোগীর লিভার ফাংশন পুরো শেষ হয়ে গেছে। তারপর পিআইসিইউ নিয়ে চেষ্টা শুরু করেন তারা। কিন্তু আমার মেয়েকে আর বাঁচাতে পারেনি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সেন্ট্রাল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (বিজনেস ডেভলপমেন্ট) মামুনুর রশিদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নেওয়ার পর বলতে পারব।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা