বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৩ ১৪:১৯ পিএম
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৩ ১৪:২৮ পিএম
রবিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের একাংশ। ছবি : সংগৃহীত
মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা ও তা নিয়মিত পাওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও গণঅনশন কর্মসূচি পালন করছেন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকেরা।
রবিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন বিএসএমএমইউ ও বিসিপিএসের অধিভুক্ত পোস্টগ্রাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকরা। বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি। বিকেলের মধ্যে দাবি আদায় না হলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন আন্দোলনকারীরা।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (পিজিপিটিডিএ) এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় সাড়ে আট হাজার চিকিৎসক এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
তাদের দাবিগুলো হচ্ছে- মাসিক বেতন ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজারে উন্নীত করা, বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা ও নিয়মিত ভাতা প্রদান।
অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, ভাতা বৃদ্ধিকরণ। আজকের গণঅনশন কর্মসূচি চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। পরে সবার সম্মতিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমরা প্রতিদিন কর্মসূচি ঠিক করি। পরবর্তী কর্মসূচি আমরা আলোচনা করে ঠিক করব। সেটা জাতীয় প্রেসক্লাব কিংবা শাহবাগ অবরোধও হতে পারে।’
আন্দোলনকারীদের ‘যদি চাও ভালো চিকিৎসা, করো আমাদের বাঁচার ব্যবস্থা’, ‘আশ্বাস নয় প্রমাণ চাই, ৫০ হাজার টাকা ভাতা চাই’, ‘পেটে আমার ক্ষুধা, সেবা দিবো কোথা?’, ‘ক্ষুধা পেটে সেবা নয়, অধিকার চাই ভিক্ষা নয়’ লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হোক। আমাদের দাবি মেনে নিলে আমরা এখনই কাজে ফিরে যেতে প্রস্তুত। এত কম টাকা দিয়ে আমরা তো চলতে পারি না। আমাদের সবকিছু নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
ভাতা বাড়ানোর দাবিতে গতকাল শনিবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন। পরে তারা রবিবার অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।