প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৩ ১৮:৫০ পিএম
আপডেট : ২০ জুন ২০২৩ ২০:১৭ পিএম
ফাইল ফটো
রাজধানী ওয়ারীর টিপু সুলতান সড়কে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ আনোয়ার হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে আগুনে দগ্ধ দুজনের মৃত্যু হলো।
মঙ্গলবার (২০ জুন) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত হয়। এর আগে এই ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মারা যান ডিপিডিসির শ্রমিক সোহেল।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ওয়ারী থেকে দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজন ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে আনোয়ারের শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এর আগে সোহেল নামে আরও এক জনের মৃত্যু হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মো. সুমন ওরফে হেলাল, আব্দুর রশিদ, মো. মামুনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার রামপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার।
এর আগে ৭ জুন রাতে টিপু সুলতান রোডের পুরাতন থানা ভবনের পাশে আগুন লাগে। ঘটনার পরপরই দগ্ধ ৫ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে দগ্ধ মো. মামুন জানান, টিপু সুলতান রোডে পুরাতন থানা ভবনের পাশে তাদের প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবন। যেই দিন ঘটনাটি ঘটে তার দুই সপ্তাহ আগে থেকে ওই সড়কটিতে খনন করে ডিপিডিসির মেরামত কাজ চলছিল। ওইদিন রাতে তাদের প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবনের ঠিক সামনে কাজ করছিল ডিপিডিসির লোকজন। সারারাত তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠানের দুই নিরাপত্তা কর্মী সেই কাজ তদারকি করছিলেন। যাতে তাদের ভবনের কোনো লাইন বিচ্ছিন্ন না হয়ে যায়। রাত সোয়া দুইটার দিকে হঠাৎ তাদের মেশিন দিয়ে রাস্তা খননের সময় গ্যাস লাইন লিক হয়ে যায়। সেখান থেকে প্রচণ্ড গ্যাস বের হতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে ডিপিডিসির কর্মীরা তিতাসকে বিষয়টি জানায়। লিকেজের কিছুক্ষণ পর তারা সেই জায়গা থেকে একটু দূরে সরে বসে ছিলেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর হঠাৎ সেখান থেকে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই তাদের শরীর ঝলসে যায়।