প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৪:১৭ পিএম
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৪:৪২ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। প্রবা ফটো
ভাড়ার বিশৃঙ্খলা রোধে ঢাকা শহর ও শহরতলী রুটে আগামীকাল বুধবার থেকে আরও ১৩টি কোম্পানির ৯৪৭টি বাসে ই-টিকেটিং পদ্ধতিতে ভাড়া আদায় চালু করা হবে।
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলা মোটরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, যাত্রীদের অভিযোগ ই-টিকেটিংয়ের টিকেটে দূরত্ব অনুযায়ী কিলোমিটার উল্লেখ নাই। দূরত্ব উল্লেখ করে ভাড়ার চার্ট তৈরি করার জন্য আমরা বিআরটিএ’কে অনুরোধ জানিয়েছি। সে মোতাবেক বিআরটিএ ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির প্রতিনিধিসহ ৪৬টি পরিবহনের স্টপিজের দূরত্ব মাপার কাজ শেষ করেছে। দূরত্ব অনুযায়ী কিলোমিটার উল্লেখ করে ভাড়ার চার্ট তৈরির কার্যক্রম চলছে। আশা করি, আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে ভাড়ার চার্ট পাওয়া যেতে পারে। ভাড়ার চার্ট পেলে ডিভাইসে কিলোমিটার উল্লেখ করে দেব।’
তিনি জানান, আকাশ এন্টারপ্রাইজ (সদরঘাট-ধউর), ভিক্টর ক্লাসিক বাস মালিক সমিতি (সদরঘাট-ধউর), ৬নং মতিঝিল-বনানী ট্রান্সপোর্ট কোম্পান(প্রা.) লি. (কমলাপুর-নতুনবাজার), গ্রীন অনাবিল পরিবহন লি. (সাইনবোর্ড-গাজীপুর), গ্রেট তুরাগ ট্রান্সপোর্ট কোং লি. (যাত্রাবাড়ী-টঙ্গী স্টেশন রোড), অনাবিল সুপার লি. (সাইনবোর্ড-গাজীপুর) রাইদা এন্টারপ্রাইজ লি. (পোস্তগোলা ধউর) আসমানী পরিবহন লি. (মদনপুর-আব্দুল্লাহপুর)।
এছাড়াও আছে সময় ট্রান্সপোর্ট লি. (গুলিস্তান-কাঁচপুর), বৈশাখী পরিবহন লি. (সাভার নতুনবাজার) ও রইছ পরিবহন লি. (সাভার-নতুনবাজার), এয়ারপোর্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মিনিবাস মালিক সমিতি (কদমতলী-আব্দুল্লাহপুর) ও মঞ্জিল এক্সপ্রেস লি. (কাঁচপুর-ধউর) বাসে ই-টিকেটিং চালু হচ্ছে।
মালিক সমিতির মহাসচিব জানান, তারা গত বছরের নভেম্বরে প্রথম পর্বে ১৩ নভেম্বর ৩০টি কোম্পানির ১৬৪৩টি বাসে, এ বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় পর্বে ১৬টি কোম্পানির ৭১৭টি গাড়িতে ই-টিকেটিং চালু করেছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে সর্বমোট ৪৬টি পরিবহন কোম্পানির ২৩৬০টি গাড়ি ছিল। এখন মোট ৫৯টি কোম্পানির ৩৩০৭টি বাস ই-টিকেটিংয়ের আওতায় আসলো।
তিনি বলেন, মোট ৪৬টি কোম্পানির ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ গাড়িতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি কার্যকরী হয়েছে। বাকি গাড়িতে কার্যকর করার লক্ষ্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির ৯টি ভিজিল্যান্স টিম প্রতিদিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এ ছাড়া সমিতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ৯ জন স্পেশাল চেকার প্রতিদিন রোডে মনিটরিং করছে। যে সকল গাড়ি। যারা এখনও নিয়মের মধ্যে আসেনি তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।