প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:০৩ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:২১ পিএম
ফাইল ফটো
দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর ১৭টি বিদেশি উদ্ভিদ প্রজাতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। বন অধিদফতরের টেকসই বন ও জীবিকা প্রকল্পের আওতায় উদ্ভিদ প্রজাতিগুলো চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম।
বুধবার বন অধিদফতর আয়োজিত ‘ডেভেলপিং বাংলাদেশ ন্যাশনাল রেড লিস্ট অব প্ল্যান্টস অ্যান্ড ডেভেলপিং ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি অব এলিয়েন স্পিসিজ অব প্ল্যান্টস ইন সিলেক্টেড প্রোটেক্টেড এরিয়াস’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বনাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা দেশীয় প্রজাতির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাস্তুতন্ত্রের ধারা পরিবর্তন ও খাদ্যশৃঙ্খলকে ব্যাহত করার ক্ষমতা আছে এমন উদ্ভিদ প্রজাতি চিহ্নিত করে ও সঠিক ব্যবস্থাপনা কৌশলের মাধ্যমে দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতি এবং বনাঞ্চল সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ভিনদেশি আগ্রাসী উদ্ভিদ প্রজাতিগুলোকে সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য পাঁচটি কৌশলগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থাপনা কৌশল জাতীয় বন ও বনজসম্পদ সংরক্ষণে এবং আমাদের টেকসই উন্নয়নে অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও সুন্দরবন পূর্ব বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জন্য নেওয়া পাঁচটি কৌশলগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার চূড়ান্ত ফলাফল উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাকিবুল আমীন।