প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৮:২২ এএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৯:৩৫ এএম
প্রবা ফটো।
রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মিরপুর ডিওএইচএস ও মিরপুর সাড়ে এগারো নম্বর এলাকাকে সংযোগকারী কালশী উড়াল সেতু উদ্বোধন আজ রবিবার। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সেতু উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে কালশী মোড়সংলগ্ন বালুর মাঠে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেতুর উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জনসভায় ভাষণ দেবেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহম্মেদ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম উপস্থিত থাকবেন।
ডিএনসিসির তত্ত্বাবধানে উড়াল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উদ্বোধনের পর সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এটি মিরপুরের সঙ্গে বনানী, উত্তরা এবং রাজধানীর পূর্বাংশের যোগাযোগ আরও সহজ করবে।
জানা গেছে, ইসিবি চত্বর থেকে মিরপুর পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন এবং কালশী মোড়ে উড়াল সেতু নির্মাণ প্রকল্প একনেকের অনুমোদন পায় ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি। মোট ১ হাজার ১২ কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় ইসিবি চত্বর থেকে কালশী পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত হয়েছে। কালশী মোড়ে হয়েছে ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়াল সেতু।
চার লেনের এই উড়াল সেতুর র্যাম্প তিনটি। ইসিবি চত্বর থেকে কালশী ও মিরপুর ডিওএইচএসমুখী মূল উড়াল সেতুটি চার লেনের। কালশী মোড় থেকে কালশী সড়কের দিকে নেমেছে দুই লেনের একটি র্যাম্প।
মিরপুর ডিওএইচএস প্রান্ত এবং ইসিবি চত্বরের দিকের প্রান্ত থেকে উড়াল সেতুতে ওঠা যাবে। কালশী রোড প্রান্ত দিয়ে নামার সুযোগ রয়েছে, ওঠা যাবে না।
এই প্রকল্পের আওতায় দুটি পদচারী সেতু নির্মাণ, একটি পিসি গার্ডার ব্রিজ সম্প্রসারণ, একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, দুটি পুলিশ বক্স, ৭ দশমিক ৪০ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন ও সসার ড্রেন নির্মাণ, ১ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন নির্মাণ, বাইসাইকেলের জন্য আলাদা লেন এবং ছয়টি বাস বে এবং যাত্রী ছাউনি করা হয়েছে।
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিমানবন্দর সড়ক থেকে মিরপুর এলাকায় ঢোকার একটা প্রবেশপথ কালশী সড়ক। তবে ওই এলাকায় সব সময় যানজট লেগে থাকত। যানজটের ভয়ে ১০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে মিরপুর যেতে হতো। উড়াল সেতু হওয়ায় আর তা করতে হবে না। উড়াল সেতু এলাকায় দুটি পদচারী সেতু (ফুটওভার ব্রিজ) করা হয়েছে, তাতে চলন্ত সিঁড়ি থাকবে। এ ছাড়া বাইসাইকেলের জন্য আলাদা লেন রয়েছে।