ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:৪২ পিএম
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:৫১ পিএম
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সংহতি সমাবেশ। প্রবা ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের দুই সংগঠক আলভী মাহমুদ ও বখতিয়ার উদ্দিন সানির মুক্তির দাবিতে সংহতি সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। এ ছাড়া সমাবেশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধের দাবি জানানো হয়।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘আমি মনে করি দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার অধিকার খুবই যৌক্তিক। প্রথমবার যারা কোনো কারণে অকৃতকার্য হয়েছে তাদের শিক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এই দাবিটুকুই শিক্ষার্থীরাই জানিয়েছে এবং সেজন্যে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করেছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আহ্বান জানাব তাদের মুক্তির জন্যে এগিয়ে আসতে।’
লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, ‘শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ চেয়ে গ্রেপ্তার হওয়া নিকৃষ্ট ও ভয়াবহতম জুলুম। তাদেরকে মুক্ত করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজিমউদ্দীন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে দাবিতে আন্দোলন করছে তা কোনো অপরাধ নয়।’
গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘স্বাধীনতার বায়ান্ন বছরের পরে এসেও শিক্ষার্থীরা অধিকার আদায় করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হচ্ছে, যা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।’
ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক জাফর হোসেন বলেন, ‘দুই সংগঠক মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার জন্যে গ্রেপ্তার হওয়ার চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু নেই।’
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সালমান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও সহসমন্বয়ক বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়ের সঞ্চালনায় সংহতি সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক মাহা মির্জা, একাত্তর টেলভিশনের সাংবাদিক সুশান্ত কুমার সিনহা প্রমুখ।