প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৫ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৭ পিএম
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ইকরাম হত্যা মামলার আসামিদের সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রতীকী ছবি
ঢাকার খিলক্ষেতে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন মোল্লাকে (২২) ২০২৩ সালে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. সিদ্দিক (২৩) ও মো. শান্ত মিয়া (২২)।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ রবিবার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের মরদেহ গুমের অপরাধে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি সিদ্দিক আদালতে হাজির ছিলেন, কিন্তু শান্ত মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা সহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ মে রাতে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে ইকরামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় তার বন্ধু শান্ত মিয়া ও সিদ্দিক। এরপর খিলক্ষেত থানাধীন পাতিরা ও ডুমনি এলাকার মাঝামাঝি বসুন্ধরা বালুর চরে তাকে হাতুড়ি ও ভোমর দিয়ে আঘাত করা হয় এবং এন্টিকাটার দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের একটি ডোবায় ফেলে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পরে ৬ মে পুলিশ ওই স্থান থেকে ইকরামের মরদেহ উদ্ধার করে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা মো. কবির হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করেন
তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার বিচার চলাকালে মোট ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।