প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪১ পিএম
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৫ পিএম
রাজধানীর খিলগাঁও মডেল কলেজ কেন্দ্র বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শনে আসেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও-সবুজবাগ-মুগদা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার একাধিক এজেন্ট ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তাসনিম জারা তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ করেন।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আজ আমাদের যথাযথভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্টরা একাধিক কেন্দ্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার নন জানিয়ে ৫৪, ১২৫, ১৬৪, ১৬৫ ও ১৬৭ নম্বর কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে বা বের করে দেওয়া হয়েছে। অথচ আইন অনুযায়ী পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
এছাড়া, কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের পুরুষ পোলিং এজেন্টদের নারী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের বলা হয়েছে, সেখানে পুরুষ এজেন্ট দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। নির্বাচন আইনে এ ধরনের কোনও বিধান নেই।
আরও দেখা গেছে, কিছু কেন্দ্রে আমাদের এজেন্টদের জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর আর প্রবেশের অনুমতি নেই। অথচ আইন অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সময় (বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট) পর্যন্ত যে কোনো সময় পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন।
কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের এজেন্টরা জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং যথাযথভাবে স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্রসহ সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হলেও তাদের অতিরিক্ত প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে যে তারা ‘ফুটবল’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আইন অনুযায়ী কোনও দলীয় বা স্বেচ্ছাসেবক পরিচয়পত্র প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা নেই। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং অনুমতিপত্রই যথেষ্ট।
এসব ঘটনা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে সব কেন্দ্রে আইনের সমান ও সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়।”