প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৫ পিএম
আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৯ পিএম
রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ আয়োজিত পিঠা উৎসব ঘিরে শনিবার ছিল নানা আয়োজন। এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু এবং প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
পিঠা বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অংশ। এটি গ্রামীণ জীবন, ঋতুবৈচিত্র্য, উৎসব ও সামাজিক বন্ধনের প্রতীক। পিঠা বাঙালির জীবনে শত শত বছরের আনন্দ, অতিথিপরায়ণতা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের চিহ্ন। মাটির ঘ্রাণ, শীতের সকাল এবং নতুন ধানের সৌরভের সঙ্গে পিঠার যে সংযোগ, তা আমাদের ঐতিহ্যের একটি অমূল্য দিক।
শীতের পিঠার আবেদন রয়েছে শহরেও। সেই আবেগের সংযোগ ঘটাতে বর্ণিল আয়োজনে শীতকালীন পিঠা উৎসব হয়েছে প্রতিদিনের বাংলাদেশে।

রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ আয়োজিত এই উৎসব ঘিরে শনিবার ছিল নানা আয়োজন। পুরো অফিস সাজানো হয় রঙিন কাগজে। চারিদিকে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
প্রতিদিনের বাংলাদেশের সাংবাদিক ও কর্মীদের সঙ্গে এই আয়োজনে যোগ দেন রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল গ্রিন টিভির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। পরিবার-পরিজন নিয়ে এই আয়োজনে অংশ নেন কেউ কেউ।
পিঠা উৎসবের এই আয়োজনে যেন এক পারিবারিক মেলাবন্ধনের আবহ তৈরি হয়।

রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু, রংধনু গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান এবং প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন। এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।
আয়োজনে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে কাউসার আহমেদ অপু বলেন, “এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো সবার সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা। আমরা এখানে যারা আছি আমরা সবাই মিলে একটা পরিবার। পত্রিকা আর টেলিভিশনে এখানে যারা কাজ করে তারা নিরলস পরিশ্রম করে। সবাই মিলে সময়টাকে এনজয় করতেই এই আয়োজন”।
প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান বলেন, “এই পিঠা উৎসব শুধু উৎসব না, এটা একটা ইমোশন। এখানে আমরা সকলে একই পরিবারের সদস্য। আমরা কাজের মধ্য দিয়ে আনন্দ খুঁজব, আবার আনন্দ নিয়ে কাজ করব। আমি প্রতিদিনই চাই এরকম আয়োজন করতে”।
পিঠা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালিন বাবলা, নির্বাহী সম্পাদক মশিউর রহমান টিপু, সহকারী সম্পাদক ইমতিয়ার শামীম, বার্তা সম্পাদক কামরুল হাসান খান ও নগর সম্পাদক আবু কাওসার।
পিঠা উৎসব উদ্বোধনের পর রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানকে পিঠা খাইয়ে দেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ মুগ পাকন, পাটিসাপটা, ভাপা, নকশি, নারিকেল পুলি, চিকেন পুলি, গোলাপ পিঠাসহ নানা পিঠা-পুলি দিয়ে সাজানো হয় পিঠা উৎসবের এই আয়োজন। পিঠার ঘ্রাণ চারিদিকে ছড়িয়ে মিষ্টি পরিবেশ তৈরি করে। হরেক রঙের পাঞ্জাবি- শাড়ি পড়ে আয়োজনে অংশ নেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের কর্মীরা।

এই আয়োজনের পেছনে যারা কাজ করেছেন, তাদের একজন প্রতিদিনের বাংলাদেশের ফিচার বিভাগের সহ-সম্পাদক আরিফাতুন নাবিলা। তিনি বলেন, “শীতের মৌসুমে সবার আসলে সুযোগ হয় না গ্রামে যাওয়ার। অথচ সবাই এই মুহূর্তগুলো খুব অনুভব করে। সেই অনুভব ফিরিয়ে আনার ছোট্ট একটা চেষ্টা এই আয়োজন। সবাই মিলে বেশ আনন্দ করেছে, সবার ভালো লেগেছে এটাই আনন্দের”।