প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:৪৩ পিএম
স্বাধীনতার পর দেশের ইতিহাসে মাইলফলক সৃষ্টিকারী ছাত্র আন্দোলনগুলো পাঠ্যভুক্ত করতে আলোচনা শুরু করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে ‘বাংলাদেশের ছাত্র বিপ্লব: নো ভ্যাট অন এডুকেশন থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও স্টুডেন্ট মুভমেন্ট অব বাংলাদেশ ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড মিডিয়া’ বইয়ের স্মারক তুলে দেওয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেন। বই দুটির লেখক ফারুক আহমাদ আরিফ ও ব্রাইট ফিউচার পাবলিকেশনের কর্ণধার এস ডি মামুন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রথম বইটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও নো ভ্যাট অন এডুকেশনের মুখপাত্র (প্রধান সমন্বয়ক) ফারুক আহমাদ আরিফ লিখিত ও সম্পাদিত। দ্বিতীয় বইটি ফারুক আহমাদ আরিফ লিখিত ও সম্পাদিত।
সাক্ষাৎকালে ফারুক আহমাদ আরিফ বলেন, ১৯৬৫ সালের শিক্ষা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের পর স্বাধীন বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি মাইলফলক সৃষ্টিকারী ছাত্র আন্দোলন হয়েছে। বিশেষ করে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার পতন, ২০১৫ সালের নো ভ্যাট অন এডুকেশন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং ২০২৪ সালে কোটা বাতিলের দাবিতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। স্বাধীন দেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব আন্দোলন মাইলফলক সৃষ্টিকারী। এসব আন্দোলনের সারসংক্ষেপ পাঠ্যভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠ্যভুক্ত করার দাবি করেন আরিফ। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যভুক্ত করতে আলোচনা শুরু করা দরকার। আমাদের ছাত্র আন্দোলনের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকটে নিজেদের উজাড় করে রাজপথে নেমে আসে। বিগত জাতীয় আন্দোলনগুলো তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
এ সময় তিনি বই দুটির প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস জানতে বই দুটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এতে প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে। সবার এগুলো সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
এর আগে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. তানজীমউদ্দিন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনিও বই দুটির প্রশংসা করেন এবং সংগ্রহ করেন।