রাজনৈতিক দলের সমাবেশ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৫ ২১:৩৭ পিএম
রাজধানীর ধোলাইপাড়ের বাসিন্দা রায়হানুল হাসান প্রতিদিন যে রাস্তা দিয়ে অফিসে যান রবিবার সেই রাস্তা ব্যবহার করেননি। ঢাকায় তিন দলের জমায়েতকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যানজট এড়াতে বিকল্প পথ অবলম্বন করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার সেই পদক্ষেপ কাজে আসেনি। পথে বের হতেই আটকে পড়েন যানজটে। বহু কষ্টে অফিসে পৌঁছান তিনি।
রবিবার (৩ আগস্ট) শাহবাগে ছাত্রদলের ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছিল জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) সমাবেশ। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিল জামায়াতে ইসলামীর সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান।
সমাবেশ ঘিরে গত শনিবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নির্দেশনা জারি করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এতে আজ রাজধানীর সড়কগুলোতে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। গাড়ির সংখ্যা কম থাকলেও যানজট তীব্র আকার ধারণ করেছিল। ফলে নিত্য ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নগরবাসীকে হিমশিম খেতে হয়েছে।
রবিবার দুপুর ২টায় চানখারপুল এলাকা থেকে মহাখালীর উদ্দেশে রওনা হয়ে বিকাল তিনটার দিকে বিজয় সরণি পৌঁছান নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, রাস্তায় গাড়ি কম। শাহবাগ বন্ধ থাকায় এই রাস্তা ব্যবহারকারীদের বিকল্প পথ বেছে নিতে হয়েছে। তবে যেদিকে গেছে সেদিকেই জ্যাম। স্থির দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। ২০-২৫ মিনিটের পথে গেছে ঘণ্টার বেশি।
সকালে শাহজাহানপুর থেকে ফার্মগেট এলাকায় আসেন বিপ্লব মল্লিক। তিনি বলেন, আমি মোটরসাইলে এসেছি। পথে পথে জ্যাম।
মালিবাগ থেকে শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসক দেখাতে এসেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাসেল। কিন্তু সমাবেশের কারণে শাহবাগ ও আশপাশের সড়ক বন্ধ থাকায় বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাকে। পরে তিনি শিশুকে কোলে নিয়ে হেঁটে বাসার পথ ধরেন।
তিনি বলেন, আমার বাসা মালিবাগে। রাস্তা বন্ধ থাকায় বাচ্চাকে নিয়ে দোয়েল চত্বর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঘুরপথে হাসপাতালে এসেছি। ফেরার পথে এখন মৎস্য ভবন পর্যন্ত হেঁটে যেতে হচ্ছে। এরপর গাড়ি পেলে মালিবাগ যাব।