× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

৯ ডিসেম্বর টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছে বাস কোম্পানি

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:১১ পিএম

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫:৩৪ পিএম

গাবতলী বাস টার্মিনালের ফাইল ছবি

গাবতলী বাস টার্মিনালের ফাইল ছবি

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বিএনপির গণসমাবেশ সামনে রেখে ৯ ডিসেম্বর থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হতে পারে। এরই মধ্যে ৯ ও ১০ ডিসেম্বরের টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছে কোনো কোনো কোম্পানি। আবার কোনো কোনো কোম্পানি শর্ত সাপেক্ষে টিকিট বিক্রি করছে।

টিকিট বিক্রির সময় বলে দেওয়া হচ্ছে, ‘গাড়ি না চললে যেতে পারবেন না।’ সে ক্ষেত্রে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পরিবহন বন্ধ রাখতে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না।

এর আগেও বিএনপি বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করার সময় স্থানীয়ভাবে পরিবহন মালিকরা সব ধরনের পরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছিলেন। তবে আগেও সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পরিষ্কার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি এবং পরিবহন মালিকদের কেউ পরিবহন ধর্মঘটের কথা স্বীকার করেননি। তবে টিকিট কাউন্টারগুলোয় ফোন করে জানা গেছে, ৯ ও ১০ ডিসেম্বরের টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে যাত্রী হিসেবে ঢাকার বাইরে যাওয়ার জন্য ঈগল পরিবহনের বসুন্ধরা গেট কাউন্টারে ফোন করা হলে দায়িত্বরত ব্যক্তি জানান, তারা ৯ ও ১০ তারিখের কোনো টিকিট বিক্রি করছেন না। এ দুই দিন কোনো গাড়ি চলবে না। তবে ৮ ডিসেম্বর ঢাকার বাইরে যাওয়ার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।

সোহাগ পরিবহনের কল সেন্টারে ফোন করা হলে বলা হয়, ‘টিকিট রয়েছে অনলাইনে এবং কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কাটতে পারবেন। তবে যদি গাড়ি না চলে সে ক্ষেত্রে কাউন্টারে গিয়ে টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন। আর অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টিকিটের অর্থ পরিশোধ করলে পরবর্তী আট দিনের মধ্যে রিফান্ড বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকিটের অর্থ ফেরত চলে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই জানতে চাইছেন আসলে ওই দুই দিন গাড়ি চলবে কি না। আমরা তাদের সবাইকে একই কথা বলছি।’

এর আগেও প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিএনপির সমাবেশের সময় সব ধরনের পরিবহন বন্ধ ছিল। ঢাকায়ও একই পরিস্থিতি ঘটবে কি না তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থদের চিকিৎসা একটি বড় ইস্যু।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব এনায়েত উল্লাহ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ধর্মঘটের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আমরা দিচ্ছি না। এখন বিএনপি যদি জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো কোনো ঘটনা ঘটায় তাহলে মালিকরা তাদের সম্পদের নিরাপত্তার জন্যই পরিবহন বন্ধ রাখবেন।’

অন্য বিভাগীয় সমাবেশগুলোয় পরিবহন বন্ধ ছিল এমন প্রসঙ্গ টেনে ঢাকায় কী হবেজানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অন্য জায়গায় মালিকরা বন্ধ রেখেছেন। এ ক্ষেত্রেও মালিক সমিতি কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো নির্দেশনা জারি করেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মালিকরা গরিব, তারা এই পরিবহনের ওপর নির্ভর করে চলেন। এখন যদি বিএনপি ২০১৪ সালের মতো বাস পোড়ায়, আগুন দেয় তাহলে আমাদের তো আর কিছু করার থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘ওই সময় আমাদের ৫০০ গাড়ি পোড়ানো হয়েছিল। একই সঙ্গে ৯২ জন পরিবহন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল।’

সোহাগ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক তালুকদার জানান, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে বাস বন্ধের কোনো নির্দেশনা আসেনি। তবে রাস্তায় কোনো বিপজ্জনক অবস্থা ঘটলে তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত গাড়ি বন্ধ রাখার কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা