× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দূষিত বাতাসের শহরে নিঃশ্বাস নিতেও কষ্ট

ফারুক আহমাদ আরিফ

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৫ ১০:০৮ এএম

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৫ ১১:২২ এএম

প্রবা গ্রাফিক্স

প্রবা গ্রাফিক্স

রাত সাড়ে ১১টা। রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি গাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। ধোঁয়ার কারণে ফুটপাতে নাক চেপে হাঁটছে কয়েকজন মানুষ। এ সময় কথা হয় পথচারী ওয়াহিদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, কালো ধোঁয়ার কারণে নাকে যেমন ঝাঁজালো গন্ধ আসে তেমনি চোখও জ্বালাপোড়া করে। এসব গাড়ির লাইসেন্স বাতিল না করলে ঢাকায় বাস করা কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায়ও একই রকম দূষণ চোখে পড়ে। মিরপুর রোড দিয়ে একের পর এক মালবাহী ট্রাক ঢুকছে রাজধানীতে। এসব গাড়ির কালো ধোঁয়া ও ধুলায় পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়েছে। দারুস সালাম টাওয়ারের বিপরীতে ব্রিজের নিচে পান-সুপারি বিক্রি করেন ফরিদা আক্তার। তিনি জানান, অনেক সময় গাড়ির কালো ধোঁয়ার কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বারবার কাশি চলে আসে। 

ওয়াহিদুর রহমান ও ফরিদা আক্তারের কথার সত্যতা মেলে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) গবেষণায়। সংস্থাটি ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার বায়ুমান কেমন ছিল তা তুলে ধরেছে নিজেদের ধারাবাহিক গবেষণায়। এতে ঢাকাস্থ আমেরিকান দূতাবাসের ২০১৭ হতে ২০২৫ সালের ৯ বছরের বায়ুমান সূচক বা আইকিউএয়ারের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের বায়ুদূষণ পূর্বের ৮ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের গড় মানের তুলনায় শতকরা ১৪ দশমিক ৭৪ ভাগ বেশি ছিল। ঢাকায় আইকিউএয়ার পূর্ববর্তী সাত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের গড় মানের (২২৮) তুলনায় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের গড় মান বেড়েছে এবং ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালের বায়ুমান সূচক শতকরা ১ দশমিক ২১ ভাগ বেড়েছে। 

ক্যাপসের গবেষণায় বলা হয়, বিগত ৯ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস বায়ুদূষণের দিক থেকে প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ঢাকার মানুষ এক দিনও ভালো বায়ু সেবন করতে পারেনি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ দিনের বায়ুমান ছিল অস্বাস্থ্যকর, ১৮ দিনের বায়ুমান ছিল খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৬ দিন ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বা দুর্যোগপূর্ণ। এই ৯ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মোট ২৫১ দিনের মধ্যে ঢাকার মানুষের এক দিনের জন্যও ভালো বায়ু সেবন করতে পারেনি।

সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জরিমানার পর জরিমানা করেও বন্ধ হচ্ছে না বায়ুদূষণের মাত্রা। রাজধানীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বায়ুদূষণের মাত্রা। 

অভিযানে ২০ কোটি টাকা জরিমানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে ৫৯৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ২০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে। অভিযানে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, স্টিল মিল, শব্দদূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য নির্গমন, সীসা/ব্যাটারি রিসাইক্লিং কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা ও খোলা অবস্থায় নির্মাণসামগ্রী রাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ অভিযানে ১ হাজার ৩৬৩টি মামলা করা হয়। জরিমানা হিসেবে ১৯ কোটি ৭৯ লাখ ৪৭ হাজার ৩০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এ সময় ৩০৫টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। ১৫৭টি ভাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৬০টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। ৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ ট্রাক সিসা বা ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানা বন্ধ করা হয়। 

জরিমানা আদায়ের কারণে দূষণ কতটা বন্ধ হচ্ছে জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পরিবেশ-১ শাখা) রুবিনা ফেরদৌসী বলেন, ‘জরিমানা করার কারণে অনেকেই সচেতন হচ্ছে। আমরা বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে সব দূষণ বন্ধ করতে চাই। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। রাজধানী থেকে শুরু করে একেবারে গ্রাম পর্যন্ত ইটভাটাসহ অন্যান্য কলকারখানার মাধ্যমে দূষণ বন্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।’ 

বৈশ্বিক বায়ুমান প্রতিবেদন ২০২৪

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার বিশ্বের বায়ুমান নিয়ে প্রতিদিন তথ্য দিয়ে থাকে। তাদের হিসাবে, বায়ুর মান ০-৫০ হলে ভালো, ৫১-১০০ মাঝারি ভালো, ১০১-১৫০ সাবধানতা, ১৫১-২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১ অধিক হলে তীব্র অস্বাস্থ্যকর। প্রতিদিনের এসব তথ্য একত্র করে পরবর্তীতে বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। গত ১১ মার্চ গত বছরের তথ্য নিয়ে ‘বৈশ্বিক বায়ুমান প্রতিবেদন ২০২৪’ প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, গত ২০২৪ সালে বাংলাদেশ বায়ুদূষণে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। বিশ্বের প্রথম স্থানে ছিল চাঁদ। আর নগর হিসেবে ঢাকার অবস্থান ছিল বিশ্বে তৃতীয়, যা ২০২৩ সালে ছিল দ্বিতীয়।

বিশ্বের ১৩৮টি দেশ ও অঞ্চলের ৮ হাজার ৯৫৪টি স্থানের ৪০ হাজার এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং স্টেশন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত সে বিষয়ে তথ্য ও সতর্ক করা হয়ে থাকে। বায়ুদূষণের অন্যতম উপাদান পিএম ২.৫ বা অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার উপাদান ধরে বায়ুর মান নির্ণয় করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড অনুয়ায়ী, পিএম ২.৫-এর গড় বার্ষিক মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি হবে না। এ হিসেবে বিশ্বের মাত্র ১৭ শতাংশ শহর এই নির্দেশিকা পূরণ করতে পেরেছে। সে হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ঘনমিটার বায়ুতে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার (পিএম ২.৫) উপস্থিতি ছিল ৭৮ মাইক্রোগ্রাম। অবশ্য এটি ২০২৩ সালে ছিল ৭৯ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রাম। ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড অনুযায়ী, বাংলাদেশের বায়ুতে পিএম ২.৫ উপস্থিতি ছিল ১৫ গুণ বেশি।

দায়ী ভারত ও মিয়ানমারের অতি সূক্ষ্ম কণা

বাংলাদেশের বায়ুদূষণে প্রায় ৩০ ভাগ দায়ী পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসা অতি সূক্ষ্ম পদার্থ। এসবের মধ্যে রয়েছেÑ অ্যামোনিয়া, নাইট্রিক অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, সিসা, কার্বন, ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড, ওজন গ্যাস। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা এসডোর গবেষণায় এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত গবেষণাটি চালায় এসডো। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটার ধোঁয়া দায়ী ১৩ শতাংশ, নির্মাণাধীন অবকাঠামোর ধূলিকণা ১১ শতাংশ ও বর্জ্য পোড়ানো ১১ শতাংশ, রান্নার প্রয়োজনে গৃহস্থালি বায়ুদূষণ ২৮ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের দূষণ ২৪ শতাংশ। এই বায়ুদূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। ডব্লিউএইচওর মতে, বিশ্বে মোট মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণই হচ্ছে বায়ুদূষণ। 

বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে বায়ুসহ ৪ ধরনের দূষণে ২ লাখ ৭২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৫৫ শতাংশ বায়ুদূষণে। সে বছর আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ। এদিকে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিলন বলেন, ‘ধূলিঝড়ের কারণে ধানের ক্ষতি হয়ে থাকে। ভারত থেকে অনেক সময় ধূলিঝড় আসে। আমাদের দেশেও ধূলিঝড় হয়। এসবে ধানের পরাগায়নে ক্ষতি হয়। ধানের ফুল পড়ে যায়। এতে উৎপাদন কমে।’ 

পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে আসা সূক্ষ্ম কণার দূষণ সম্পর্কে এসডোর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন এ সম্পর্কে বলেন, ‘ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসা সূক্ষ্ম কণার কারণে আমাদের বায়ুদূষণ হচ্ছেÑ এ ব্যাপারে দেশ দুটিকে আগে জানানো হয়নি। এ অবস্থায় তাদের কাছ থেকে জরিমানাও চাওয়া যাচ্ছে না। তাই আমাদের এখন তাদেরকে বলতে হবে তোমাদের বায়ুদূষণের কারণে আমাদের বায়ুদূষণ হচ্ছে। এসব দূষণের কারণ বন্ধ করো। আর যদি তারা বায়ুদূষণের উৎস বন্ধ না করে, সেক্ষেত্রে আলোচনার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়ে জরিমানা আদায় করতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘ভারতের মেঘালয় থেকে আসাম পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন মাইনিংয়ের কারণে ময়মনসিংহ, সিলেট হয়ে ঢাকা পর্যন্ত বায়ুদূষণ হয়। আবার সাতক্ষীরা হয়ে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত বায়ুদূষণ হয় ভারতের মাইনিংয়ের কারণে। অন্যদিকে মিয়ানমারে বন-জঙ্গল পোড়ানোর কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুদূষণ হচ্ছে।’ 

সেন্টার ফর ক্লাইমেট জাস্টিস বাংলাদেশের (সিসিজেবি) পরিচালক অ্যাডভোকেট ম. হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘ভারত পানি দিচ্ছে নাÑ এটি নিয়ে আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে পারি না। কেননা আন্তর্জাতিক আইন ও কমপ্লায়েন্স খুব দুর্বল। আমাদের বায়ু ও পানি দূষণ করছে ভারত-মিয়ানমারÑ এ ব্যাপারেও মামলা করা যাচ্ছে না। মামলা করে জরিমানা আদায় করতে হলে ভারত-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘নেদারল্যান্ডসের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে যেতে হলে উভয় দেশ একসঙ্গে বসে ঐকমত্য হতে হবে। এসব কারণে ভারত বা মিয়ানমার আমাদের বায়ুদূষণ করলেও ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাচ্ছে না।’ 

এ বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস আগের ৯ বছরের চেয়ে বেশি বায়ুদূণ ছিল উল্লেখ করে ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘আমাদের বায়ুদূষণ কমছে না। গত বছর যেমন বেশি ছিল, ঠিক এ বছরের দুই মাসও বেশি ছিল। বিশেষ করে এ দুই মাস বিগত ৯ বছরের তুলনায় দূষণের মাত্রা বেশি ধরা পড়েছে। দূষণ কমাতে পরিবেশ অধিদপ্তর জরিমানা করছেÑ এটি ভালো একটি দিক। কেননা আগে আমরা দেখেছি আইন থাকলেও প্রয়োগ ছিল না। এতে করে দূষণকারীরা বেপরোয়া হয়ে গিয়েছিল।’ 

তিনি বলেন, ‘অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, দূষণ করলে বলার বা ব্যবস্থা নেওয়ার কেই নেই। এখন যেহেতু আইনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে, তাতে করে বায়ুদূষণ কমবে। এখন দুই মাসে যে পরিমাণ জরিমানা করা হয়েছে, তাতে দূষণকারীরা দূষণের আগে দুবার ভাববে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর যেসব দেশ দূষণমুক্ত করেছে, তারা কেউ জরিমানা না করে অবস্থার উন্নতি করতে পারেনি। সেসব দেশে এমন পরিমাণ জরিমানা করা হয় যাতে দ্বিতীয়বার তার জরিমানা দেওয়ার সামর্থ্যই থাকে না। অর্থাৎ অতি উচ্চ পরিমাণে জরিমানা করা হয়।’ 

ইতঃপূর্বে দেখা গেছে, সরকার বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আঁতাত করে পার পেয়ে গেছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘এর আগে দূষণকারীরা নানা ধরনের লিয়াজোঁ করে পার পেয়ে গেছে। তাই জরিমানার পরিমাণ এমন করতে হবে যাতে দ্বিতীয়বার দূষণ করতে গিয়ে ভাবনায় পড়ে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা