প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৪ ০০:২২ এএম
আপডেট : ২৮ মে ২০২৪ ১১:২০ এএম
শিশুদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করতে ঢাকায় চিলড্রেনস ট্রাফিক পার্ক স্থাপন করতে চায় ডিএমপি। সম্প্রতি জাপানে উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর ডিএমপির ১৩ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফেরেন। তারা সোমবার (২৭ মে) ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবগত করলে তিনি এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলেন।
ডিএমপি জানায়, জাইকার ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টের (ডিআরএসপি) আওতায় ‘ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ গত ৮ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত জাপানে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষণে উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাস্তবমুখী গুরুত্বপূর্ণ ধারণাসহ রোড ট্রাফিক সেফটি, অ্যাক্সিডেন্ট ডাটা অ্যানালাইসিস, ট্রাফিক সিমুলেশন্স, ট্রাফিক ওয়ার, পাবলিক রিলেশন্স অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন ডিএমপির কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হলেন-ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান, উপপুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মইনুল হাসান, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কাজী রোমানা নাসরিন, কে. এন. রায় নিয়তি, সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. সাকিব হোসাইন, বাহা উদ্দীন ভূঁঞা, মো. হালিমুল হারুন, পুলিশ পরিদর্শক মো. সুজাউদ্দৌলা চৌধুরী, মোস্তফা কামরুল হাসান, মো. আবু জাফর, সার্জেন্ট বিপ্লব হোসাইন, মিনহাজুল হোসাইন খান ও এস এম কামরান।
প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মকর্তারা ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ডিএমপি কমিশনারের কাছে প্রশিক্ষণ সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, শিশুকাল থেকেই ট্রাফিক নিয়ম কানুন সম্পর্কে জানানো ও অভ্যস্ত করে তুলতে ‘চিলড্রেনস ট্রাফিক পার্ক’ স্থাপন জাপান ট্রাফিক পুলিশের অন্যতম একটি কৌশল। এ কৌশলকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তোলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া শিশুরা কীভাবে একাই স্কুলে যাচ্ছে এবং কমিউনিটিকে কীভাবে সহযোগিতা করছে সে বিষয়ে তুলে ধরা হয়।
ডিএমপি কমিশনার সভায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা শুনে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলা ও উত্তরা দিয়াবাড়ি পুলিশ লাইন্সে ওই পার্ক স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া তিনি অ্যাক্সিডেন্ট ডাটা রিসার্সের জন্য জাপানের মতো ডিএমপিতেও ট্রাফিক রিসার্স সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেন।