প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২২ ১৮:০০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ধীরে ধীরে ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দামের দিকে নেমে আসছে শেয়ারের দাম। গত বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন দামে লেনদেন হয়েছিল ২৭৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। যার সঙ্গে রবিবার আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার সর্বনিম্ন দামে নেমে আসায় এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৮ টিতে। অর্থাৎ ৩৮৯ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৯৮ টিরই লেনদেন হচ্ছে সর্বনিম্ন দরে। যার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ৭৬ শতাংশের উপরে কোম্পানির সর্বনিম্ন দামে অবস্থান করছে।
যা পুঁজিবাজারের লেনদেনের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭২৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭১ কোটি টাকা কম। লেনদেনের সঙ্গে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকে ডিএসইএক্সেও বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান সূচকটি ৪৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩০৪ পয়েন্টে।
ডিএসইতে সারাদিনে লেনদেন হয়েছে ৩৪৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। কোন লেনদেন হয়নি ৪৫ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৫ টি কোম্পানির শেয়ারের, কমেছে ৮৭ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩২ টির।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে জেনিক্স ইনফোসিস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ৮৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ফার্মার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার। এ ছাড়া শীর্ষ পাঁচে থাকা সামিট পোর্ট অ্যালায়েন্সের ৩৩ কোটি ৭৯ লাখ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালের ৩০ কোটি ১ লাখ এবং ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ২৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে দর বাড়ার শীর্ষে অবস্থান করছে চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড । কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ২৮ টাকা ১০ পয়সায়। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিডি ওয়েল্ডিং লিমিটেডের ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৩২ টাকা ৯০ পয়সায়। এ ছাড়া আম্মা নেটওয়ার্কের ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, মুন্নু অ্যাগ্রোর ৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং বিডি থাই ফুডের ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর বেড়েছে।
ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষে রয়েছে জেমিনি সি ফুড লিমিটেড । এ শেয়ারটির দর ১৬ দশমিক শূন্য ৩৫ শতাংশ কমে সবশেষ ৪৪২ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিডি ল্যাম্প লিমিটেডের দর ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ২৫২ টাকা ৯০ পয়সায়। এ ছাড়া জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিটের ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বসুন্ধরা পেপার মিলসের ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং নাভানা ফার্মার ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ দর হারিয়েছে।
এদিকে ডিএসইর এসএমই বোর্ডে ছিল ইতিবাচক প্রবণতা। ডিএসএমই-এক্স ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ১৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯টির, কমেছে ৫টির দর।
অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-সিএসইর কার্যক্রম শেষ হয়েছে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৬৩৬ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা কম।