হিলি (দিনাজপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৪ ২০:৪৯ পিএম
আপডেট : ২১ মে ২০২৪ ২১:০৬ পিএম
হিলি বন্দর এলাকার বাজারে মসলা বিক্রির জন্য সাজিয়ে বসেছেন দোকানি। প্রবা ফটো
কোরবানির ঈদকে ঘিরে দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে বাড়তে শুরু করেছে জিরাসহ অন্যান্য মসলার দাম। প্রকারভেদে প্রতিটি মসলার দাম কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে জিরার দাম বেড়েছে কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে এসব মসলার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, বলছেন ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (২১ মে) হিলি মসলা বাজার ঘুরে জানা যায়, এক মাসের ব্যবধানে প্রতিটি মসলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এর আগে সাদা এলাচ ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। বর্তমানে তা প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। কালো এলাচের দাম ছিল প্রকারভেদে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭৫০ থেকে ৩ হাজার টাকা। প্রতি কেজি লং ১ হাজার ৭৫০, দারুচিনি ৪২০, গোলমরিচ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়াও এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি জিরার দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। ৬০০ টাকা কেজি দরের জিরা প্রকারভেদে এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা। সামনে ঈদ, হঠাৎ এভাবে মসলার দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়ছে সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা।
বগুড়া থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী মওলা সরকার বলেন, ‘এক মাস আগে হিলি বাজারে যেসব মসলা কিনেছিলাম বর্তমানে তা অনেক বেশি দামে কিনতে হলো। সামনে কোরবানির ঈদ, মসলার চাহিদা বাড়বে। এ সময় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ভোক্তা পর্যায়ে কয়েকগুণ চাহিদা বাড়ে। তবে পাইকারিতে দামটা যদি কম থাকত, তাহলে ভালো হতো।’
বন্দর বাজারে ক্রেতা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে ৬০০ টাকা কেজি জিরা কিনেছিলাম, এখন ৭০০ টাকায় কিনলাম। হঠাৎ এত দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।’
মসলা ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘এক মাস ধরে সব মসলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণে বেচাবিক্রি একটু কম হচ্ছে। তবে ঈদের এখনও দেরি আছে, সামনে বেচাবিক্রি বাড়তে পারে।’
হিলি বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের আওলাদ হোসেন শাওন বলেন, ‘ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ভারতেই মসলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি মসলার দাম কেজিতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বাড়ছে। সামনে কোরবানির ঈদ, বেচাবিক্রি কিছুটা শুরু হয়েছে। আশা করছি, ঈদের আগে সরবরাহ বাড়লে মসলার দাম কমবে এবং বেচাবিক্রি বৃদ্ধি পাবে।’