× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যাখ্যা দিলেন ডেপুটি গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে বাধা নেই

পঞ্চগড় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪ ১৯:৩২ পিএম

আপডেট : ১৮ মে ২০২৪ ২১:০৯ পিএম

পঞ্চগড়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। প্রবা ফটো

পঞ্চগড়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। প্রবা ফটো

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশের বিষয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। তার ভাষ্য– সাংবাদিকদের তথ্য সরবরাহের জন্য তিনজন মুখপাত্র আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে সন্তুষ্ট না হলে সরাসরি চারজন ডেপুটি গভর্নরের কাছে জানার সুযোগ রয়েছে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাহলে সমস্যা কোথায়? বলা হচ্ছে– অবাধ প্রবেশ নিষেধ। অবাধ বলতে কী? অবাধে কোথায় যাওয়া যায়? পৃথিবীর কোথাও না।’

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে রংপুর বিভাগে গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির কনভেশন হলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট। সহযোগিতায় ছিল ব্যাংক এশিয়া।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ– কে বলল ভাই? বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য দেওয়ার জন্য তিনজন মুখপাত্র নিয়োগ দিয়েছি। আপনার তো তথ্যের দরকার। তথ্যের জন্য একশবার যাবেন। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে একজন করে মুখপাত্র থাকে। সবার তো কথা বলার দরকার নেই। তিনজন মুখপাত্র আছে। তাদের কাছে যাবেন। সেখানে বসার জায়গা আছে। চায়ের ব্যবস্থা আছে। তারা যদি আপনাকে সন্তুষ্ট না করতে পারে আমরা চারজন ডেপুটি গভর্নর আছি, আমরা আপনাকে উত্তর দেব।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে আপনারা অবাধে যেতে চান। আমি তো যেতে নিষেধ করিনি। আপনি তো যান না। আমার লোকজন আপনার জন্য রেডি হয়ে আছে। যদি কোনো কর্মকর্তার কাছে একাই যেতে চান, যান। আমার কাছে একাই আসতে চান, আসুন। যেটা গোপনীয় আইন সমর্থন করে না। যতদূর খোলামেলা বলা যায় তারা বলে দেবে। কিন্তু আপনি রাষ্ট্রীয় গোপনীয় তথ্য চাইবেন সেটা তো অনুমোদন করে না কেউ।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ডেপুটি গভর্নর আরও বলেন, ‘মূলত আপনার উদ্দেশ্য দেশটার মঙ্গল, আমাদেরও তাই। দেশটা হলো সবার। বঙ্গবন্ধু এটাই বলেছিলেন– এদেশের মেহনতি মানুষের মুক্তি। আমি ১৭টা বিভাগ চালাতে হিমশিম খাই। প্রধানমন্ত্রীকে দেখেন– তিনি দেশ-বিদেশ সামলাচ্ছেন। কী পরিমাণ পরিশ্রম করছেন তিনি, ভাবতে পারেন।’

ব্যাংকারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক পদ দিয়ে বসে আছি। তিনি কী করছেন, না করছেন আমরা তদারকি করছি না। এটা চলবে না। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবহারে নরম, কিন্তু নিজেকে কঠোর করতে হবে। এটা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্তা।’

খুরশিদ আলম বলেন, ‘অর্থনীতি দিয়ে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে আমাদের। সেবামূল্য কাটার আগে গ্রাহকদের জানান। আপনারা টিম পাঠাবেন। ব্যাংক ঋণ যদি ঠিক না থাকে তাহলে সমস্যা। অর্থনীতির ব্লাড হলো আর্থিক সংস্থান খাত (ব্যাংক)। সুতরাং আপনাদের সরকারের কর যেমন আদায় করতে হবে, তেমনি গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তারা যাতে অসন্তুষ্ট না হয়। বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মোডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এবার (২০২৪-২৫ অর্থবছর) বাজেট হচ্ছে ৮ লাখ কোটি টাকার। বাজেট তো আর এমনি এমনি হয় না। মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। পদ্মা সেতু করেছি আমরা। অপপ্রচারকে আপনারা কেউ পাত্তা দেবেন না। আপনারা তথ্যভান্ডার নিয়ে কথা বলবেন। রেমিট্যান্স (প্রবাহ) আবার ফিরেছে, বাড়ছে। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। কোথায় আমাদের সমস্যা? তবে উদীয়মান অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। শ্রীলঙ্কা কোথায় গিয়েছিল। আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে পাঁচগুণ বড় আমাদের অর্থনীতি, নেপালের চেয়ে সাতগুণ বড়, ভুটানের চেয়েও বড়। আমরা দীর্ঘ পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কোনো সমস্যা নেই। খেলাপি ঋণের ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক আবু হেনা হূমায়ূন কবীর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আরও বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম, ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা