নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২২ ১৭:৪০ পিএম
সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম
ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন শুরু হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জ একসঙ্গে কাজ করছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এ কথা বলেছেন।
রোববাব ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজার বিষয়ে নানা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
প্রথমবারের মতো সিএমজেএফ টক আয়োজন করেছে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সংগঠন সিএমজেএফ। অনুষ্ঠানে সিএমজেএফের সভাপতি জিয়াউর রহমান ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু আলীসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের এক্সপোজার লিমিট হিসাব ক্রয়মূল্য করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয় একমত। এছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগের অর্থ যোগান দিতে বন্ডের প্রচার ও প্রসারে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ একসঙ্গে কাজ করার কথাও জানান।
ফ্লোর প্রাইস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা নিজেরাও মনে করি ফ্লোর প্রাইস দেওয়া উচিত না। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এটি দিতে হয়েছে।’
বিদেশে রোড শোর বিষয়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, এর মাধ্যমে বিদেশে দেশের ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে। বিভিন্ন বিনিয়োগকারীদের সাথে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের যোগযোগ করিয়ে দেয়া হয়েছে। যার প্রভার পড়তে শুরু করেছে। এরই অনেকেই বাংলাদেশ বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডন গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ ট্রেডিং ফান্ড (ইটিএফ) নিয়ে আসতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলেও জানা অধ্যাপক শিবলী।
তিনি বলেন, শুধু ইক্যুইটি দিয়ে জিডিপির তুলনায় বাজারের আকার ধরে রাখা সম্ভব না। দেশে জিডিপির তুলনায় পুঁজিবাজারের আকার তুলনামূলক বড় করতে হলে বন্ড মার্কেট দিয়ে বড় করতে হবে। দেশে বন্ডের লেনদেন শুরু হলে বাজারের আকার বড় হয়ে যাবে। তখন লেনদেনের পরিমাণও অনেক বাড়বে বলে প্রত্যাশা তার।
ক্যাপিটাল ম্যার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে (সিএমএসএফ) অবণ্টিত লভ্যাংশ না দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা এখনও দেয়নি, তাদেরকে জরিমানাসহ আগামীতে দিতে হবে।’