প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:১০ পিএম
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ১৬:৪৬ পিএম
আইকন অব দ্য সিজ চলবে এলএনজিতে। এলএনজি বিপুল মিথেন গ্যাস নিঃসরণ করে। ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বের বৃহত্তম প্রমোদতরি ‘আইকন অব দ্য সিজ’ যাত্রা শুরু করেছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি থেকে সাত দিনের জন্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চল সফরে বেরিয়েছে প্রমোদতরিটি। এটার দৈর্ঘ্য ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের উচ্চতার চেয়ে বেশি। সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ৭ হাজার ৬০০।
তথ্যমতে, প্রমোদতরিটিতে ২০টি ডেক ও কামরা আছে। সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৭ হাজার ৬০০। ক্রুর সংখ্যা ২ হাজার ৩৫০। দৈর্ঘ্য ১১৯৭ ফুট।
আইকন অব দ্য সিজ নির্মাণে খরচ পড়েছে ২০০ কোটি ডলার। এতে আছে সাতটি সুইমিং পুল, ৬টি ওয়াটারস্লাইড, অন্তত ৪০টি রেস্তোরাঁ, বার এবং লাউঞ্জ।
প্রমোদতরিটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের মালিকানাধীন। ফিনল্যান্ডের তুর্কুতে একটি শিপইয়ার্ডে এটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৯০০ দিন
কর্তৃপক্ষের দাবি আইকন অব দ্য সিজ সবুজ জ্বালানি দিয়ে চলবে। কিন্তু পরিবেশবাদীরা বলছেন, এটা গ্রিনওয়াশ। কারণ এটির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। এলএনজি থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস নিঃসরণ হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন ক্লিন ট্রান্সপোর্টেশনের (আইসিসিটি) মেরিন প্রোগ্রামের পরিচালক ব্রায়ান কোমার বলেন, এই পদক্ষেপ ভুলভাবে নেওয়া হয়েছে। এলএনজি মেরিন গ্যাস ওয়েলের চেয়ে অন্তত ১২০ শতাংশ বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে।
জ্বালানি তেলের মতো প্রচলিত সামুদ্রিক জ্বালানির চেয়ে অধিক পরিমাণে পোড়ে এলএনজি। এর লিকেজের ঝুঁকিও বেশি। ২০ বছরে কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে কমপক্ষে ৮০ গুণ তাপমাত্রা বায়ুমণ্ডলে আবদ্ধ করে রাখে মিথেন। এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। বৈশ্বিক উষ্ণতা কমিয়ে আনার জন্য এই মিথেন নিঃসরণ কমিয়ে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রমোদতরিটির নামকরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক লিয়নেল মেসি।
সূত্র : গার্ডিয়ান