প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৪ ২০:২৭ পিএম
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৪ ২০:৫১ পিএম
প্রবা ফটো
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নেওয়া বন্ধ রয়েছে। সঞ্চয়পত্র থেকেও ঋণ পাচ্ছে না সরকার। ব্যাহত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আদায়। ফলে সরকারের খরচ চালানোর জন্য প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ব্যাংক খাত। এখন ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা ধার করছে সরকার, যা দিন দিন বাড়ছে। এতে ট্রেজারি বিলের সুদের হার ১১ দশমিক ১৫ শতাংশে উঠেছে।
এদিকে ট্রেজারি বিলের ওপর নির্ভর করে এখন ব্যাংকঋণের সুদহার নির্ধারিত হয়। ফলে নতুন বছরের শুরুতে ট্রেজারি বিলের গড় সুদহার আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে পদ্ধতিতে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে, সেটাকে বলা হয় স্মার্ট বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল। প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য স্মার্ট রেট হচ্ছে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। এর সঙ্গে ব্যাংকগুলো ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিতে পারে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনে সরকারের খরচ কত হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে ঋণের সুদহার। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি যা, তাতে সরকার আরও বেশি টাকা তুলবে। ফলে সুদের হার আরও বাড়বে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত নিলামে ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহার দাঁড়ায় ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা আগে ছিল ১১ দশমিক ১০ শতাংশ। এ ছাড়া ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহার ১১ দশমিক ২০ শতাংশে, ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহার ১১ দশমিক ৫০ শতাংশে উঠেছে। শুধু ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের সুদহার বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার নিলামের মাধ্যমে ৬ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা ধার করেছে সরকার।