প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬:৩৫ পিএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:১২ পিএম
ফাইল ফটো
বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে অবৈধ মানি চেঞ্জারের সঙ্গে যেকোনো প্রকার লেনদেন ও দোকান ভাড়া চুক্তি না করতে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইটে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অবৈধ মানি চেঞ্জার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে বিভিন্ন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধ মানি এক্সচেঞ্জের অনুমতি প্রদান করে। সবার সচেতনতার লক্ষ্যে অনুমোদিত মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত হচ্ছে।
এমন অবস্থায়, সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে অবৈধ মানি চেঞ্জারের সঙ্গে যেকোনো ধরনের লেনদেন, দোকান ভাড়া চুক্তি সম্পাদন ইত্যাদি হতে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

ডলার কারসাজি রোধে আরও আগে থেকে মানি চেঞ্জারের অবৈধ লেনদেন বন্ধে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত আগস্ট মাসে অতিরিক্ত দরে ডলার বিক্রির অভিযোগে সাত মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। একইসঙ্গে ১০টিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এসব মানি চেঞ্জারের বিরুদ্ধে লাইসেন্সের শর্ত ভেঙে বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য নিয়মিত বাংলাদেশ ব্যাংকে না পাঠানো, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মানি চেঞ্জার মনিটরিং সিস্টেমে ভুল তথ্য প্রদান এবং মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নির্দেশনা না মেনে নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি মূল্যে বিদেশি কেনাবেচার অভিযোগের তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যাদের লাইসেন্স স্থগিত হয়েছিল সেগুলো হল- ইয়র্ক মানি এক্সচেঞ্জ, জামান মানি চেঞ্জিং হাউজ, জেনি মানি এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড মানি এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, মার্সি মানি এক্সচেঞ্জ কো. লিমিটেড, বেঙ্গল মানি এক্সচেঞ্জ ও জেবি মানি এক্সচেঞ্জার লিমিটেড।
২০২২ সালের মাঝামাঝিতে মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার মধ্যে ডলারের রেকর্ড মূল্যের সুযোগ নিয়ে কারসাজি করার খবরে শতাধিক মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন অর্ধ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছিল। তবে পরে শর্ত পূরণ করায় সবার লাইসেন্স ফিরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।