× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

১০ বছরে স্নাতক বেড়ে দ্বিগুণ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৫৯ পিএম

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ২২:০৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

দেশে বাড়ছে সাক্ষরতার হার। ২০১১ সালেও যেখানে দেশে সাক্ষরতার হারছিল মাত্র ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। আর গত ১০ বছরে দ্বিগুনের বেশি বেড়েছে স্নাতক ডিগ্রিধারী। তবে এ সময়ে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিত হয়েছে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা উদ্বোধন করবে। সেই প্রতিবেদন সূত্রেই এ তথ্য জানা গেছে।

গত বছরের ২৭ জুলাই শুমারি শেষ হওয়ার এক মাসের মাথায় জনশুমারি ও গৃহ গণনার প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস। জনশুমারির সেই প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬। তবে জনশুমারি তথ্য যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএস নিট কাভারেজ ইরর পায় ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। সেই ইরর যোগ করে বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১। এরআগে ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী সে সময় দেশের জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩।

জনশুমারিতে সাক্ষরতার হারের তথ্যে দেখা যায়, ২০১১ সালে যেখানে সাক্ষরতার হারছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ, সেখানে ২০২২ সালে সাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। অর্থাৎ সাক্ষরতা হার বেড়েছে ২৩ শতাংশ। প্রতিবেদন দেখা গেছে, কোন পাকিস্তানি শিক্ষা গ্রহণ না করেও ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষিত হয়েছে। তবে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর মধ্যে ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ কখনো স্কুলে যায়নি। স্কুলে গেলেও ক্লাস ওয়ান শেষ করেনি ১ দশমিক ১৭ শতাংশ। ২ দশমিক ৩২ শতাংশ প্রাক প্রাথমিকে পড়েছে। ক্লাস ওয়ান পর্যন্ত পড়েছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আর প্রাথমিক শিক্ষা অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।

প্রতিবেদন দেখা যায়, ক্লাস সিক্স থেকে এইট পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে ১৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। এসএসসি পাশ করেনি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। এসএসসি পাশ করেছে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। এইচএসসি পাশ করেছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। ডিগ্রী বা স্নাতক পাস করেছে ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। ২০১১ সালের স্নাতক ডিগ্রিধারী ছিল ১ দশমিক ৯২ শতাংশ। মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেছে এক দশমিক ৭২ শতাংশ। যেখানে ২০১১ সালে মাস্টার ডিগ্রি ধারি ছিল শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ।

মোট শিক্ষিতের মধ্যে জেনারেলে পড়েছে ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। ২০১১ সালে জেনারেল এ পড়ার হার ছিল ৯৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পড়েছে ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। ২০১১ সালে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পড়ার হার ছিল ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। টেকনিকালে লেখাপড়া করেছে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। যা ২০১১ সালে ছিল শূণ্য দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যান্য মাধ্যমে লেখাপড়া করেছে ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এদিকে বিবিএসের প্রায়োগিক সাক্ষরতা নিয়ে করা জরিপে বলা হয়েছে, দেশে সাত বছরের ঊর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ২৬ শতাংশ মানুষ প্রায়োগিক সাক্ষরতার বাইরে রয়েছে। আর ১১ শতাংশ মানুষ আংশিক সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন। বাকি ৬২ দশমিক ৯২ শতাংশ মানুষের প্রায়োগিক সাক্ষরতা রয়েছে। আর ৭-১৪ বয়সী শিশুদের মধ্যে এ হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে আছে মেয়েরা। 

জরিপে দেখা যায়, দেশের ৭-১৪ বছর বয়সীদের প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এদের মধ্যে মেয়েদের হার ৭৬ শতাংশ আর ছেলেদের হার ৬৯ শতাংশ। শহর ও গ্রামেও মেয়েদের এ হার ছিল বেশি। গ্রামে ৬৭ শতাংশ ছেলের বিপরীতে মেয়েদের হার ছিল ৭৫ শতাংশ। আর শহরে মেয়েদের ৭৯ শতাংশের বিপরীতে ছেলেদের হার ছিল ৭৩ শতাংশ। 

জরিপে বলা হয়, ৬২ দশমিক ৯২ শতাংশ সাক্ষরতাসম্পন্ন মানুষের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে ১৯ শতাংশ এবং উন্নত পর্যায়ে রয়েছে ৪৩ শতাংশ মানুষ। ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নিয়ে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করে এ জরিপ তৈরি করা হয়েছে। জরিপে বলা হয়, ৭-১৪ বয়সী শিশুদের মধ্যে ১৪ শতাংশের প্রায়োগিক সাক্ষরতা নেই। আর আংশিক হার ১২ শতাংশ। ১৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ২৮ শতাংশের সাক্ষরতা নেই। ১০ শতাংশের আংশিক সাক্ষরতা আছে। আর ১৫ বছরের বেশি নাগরিকদের সাক্ষরতার এ হার ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা