চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৪৪ পিএম
আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৪৭ পিএম
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত। প্রবা ফটো
ভৌগলিক সুবিধার কারণে দেশর প্রধান বন্দর নগরী চট্রগ্রাম অচিরেই বিশ্ব দরবারে অন্যতম ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ হাবে পরিণত হবে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। শনিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (এবিবিএফ) সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি ওমর হাজ্জাজ।
সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সাথে চিটাগাং চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি ওমর হাজ্জাজ এবং অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি আব্দুল রতন খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
ওমর হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের এখন সুবর্ণ সময়, এখানে চমৎকার ব্যবসায়িক পরিবেশ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু টানেল, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কারণে চট্টগ্রাম অচিরেই একটি ট্রান্সশিপমেন্ট হাবে পরিণত হবে।’
সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চেম্বার সভাপতি চট্টগ্রামের ভৌগোলিক সুবিধা ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিনিয়োগের প্রদত্ত বিভিন্ন অবকাঠামোগত সুবিধা ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়ান ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান।
ওমর হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ। তৈরি পোশাক রপ্তানি দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুতা, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়াও বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য সামগ্রী, রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, ল্যাপটপ, এগ্রো প্রোডাক্টস, অটোমোবাইল অ্যাসেম্বিলিং, হোম অ্যাপ্লায়েন্স-সহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরী হচ্ছে এবং বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য চিটাগাং চেম্বারের সাথে একযোগে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ট্রেড রিলেশন বাড়াতে চাচ্ছে। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল সরকারের সাথে কাজ করার এই সুযোগ নিতে পাওে বলে মন্তব্য করেন এবিবিএফ’র সভাপতি আব্দুল রতন খান। এসময় বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে আগামী বছর সিডনি এবং মেলবোর্নে চট্টগ্রাম চেম্বাওে পক্ষ থেকে ‘রোড শো’ ঘোষণা করেন।
সমঝোতা স্বক্ষর অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, এবিবিএফ’র পরিচালক মোহাম্মদ রহমান, গ্রেপাস গ্রুপ’র সিইও নাজমুল হাসান ও বিজনেস ডেভেলাপমেন্ট পরিচালক পিটার স্কেপারেস প্রমুখ।