প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৩ ১৯:২১ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৩ ২০:০১ পিএম
ছবি : সংগ্রহীত
নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য চিনির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। তবে সে তুলনায় দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা খুব বেশি নয়। এই বিপুল পরিমাণ চিনির ঘাটতি মেটাতে তিন বছরে ১১ লাখ মেট্রিক টন চিনি আমদানি করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৮০ টন। তবে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র প্রায় ১৬ শতাংশ বা ২১ হাজার ৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করতে পেরেছে সংস্থাটি; যা মোট চাহিদার দেড় শতাংশের কম।
চিনির ঘাটতি মেটাতে এস আলম গ্রুপ চলতি বছর প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ মেট্টিক টন চিনি আমদানি করেছে, যা ১ হাজার ৭৭২ কোটি টাকারও বেশি। এ ছাড়া ২০২২ ও ২০২১ সালে যথাক্রমে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ও ৩ লাখ ৬৭ হাজার মেট্টিক টন চিনি আমদানি করে। গ্রুপটি এ দুই বছরে চিনি আমদানি করতে খরচ করেছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।
আর গত ৩ বছরে এস আলম গ্রুপের চিনি আমদানির পরিমাণ ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ মেট্টিক টনেরও বেশি, যার আর্থিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকারও বেশি।
গ্রুপটি বর্তমান চিনির দেশীয় বাজারে আমদানি চাহিদার ৩৫ শতাংশ পূরণ করে থাকে। ভবিষ্যতে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
এ বিষয়ে এস আলম গ্রুপ থেকে বলা হয়, আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন-রীতির কারণে চিনির ব্যবহার সর্বত্র। ভোক্তাদের মধ্যে বিপুল চাহিদা থাকলেও অভ্যন্তরীণভাবে চিনির উৎপাদন খুব বেশি নেই। তাই চাহিদা মেটাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রচুর চিনি ভারত, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এস আলম গ্রুপ ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে প্রতিবছর চিনি আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। ফলস্বরূপ কোম্পানিটি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদানের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ চিনির চাহিদা অনুযায়ী স্থিতিশীল মূল্যে নিশ্চিত করে। আগামীতেও চিনির মূল্য বাজারে সহনীয় রাখতে আমরা চেষ্টা করব।