প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬:১২ পিএম
ফ্রান্সে বসবাসকারী এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ প্রতিদিন তিনবেলা খেতে পান না। ছবি : সংগৃহীত
ফ্রান্সে বসবাসকারী এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষে দিনে তিন বেলা খাওয়ার সামর্থ্য নেই। অভাবের কারণে তারা খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যয়ের মতো প্রয়োজনীয় খরচও কমাতে বাধ্য হন। বুধবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ফরাসি সংস্থা সেকোরস পপুলায়ারের (পিপলস রিলিফ) পক্ষে বহুজাতিক বাজার গবেষণা এবং পরামর্শক সংস্থা ইপসোস পরিচালিত এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ফ্রান্সে প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ মাংস খাওয়া সীমিত করে ফেলেছেন।
ইপসোস ১৭ এবং ১৮ জুন এ গবেষণা কাজে ৯৯৬ জন ফরাসি নাগরিকের টেলিফোন সাক্ষাত্কার নিয়েছে যাদের বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৩ শতাংশ বলেছেন তারা আর প্রতিদিন ফল এবং শাকসবজি খাওয়ার সামর্থ্য রাখেন না। প্রতিবেদন অনুসারে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং উচ্চ মূল্য পূর্বের চেয়ে আরও বেশি ফরাসিদের দারিদ্র্যসীমার নিচে নিমজ্জিত করছে।
মোট ৫৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, এখন তারা আর টাকা জমাতে পারেন না এবং ১৮ শতাংশ বলেছেন তাদের ব্যাংকদেনা আগের বছরের তুলনায় তিন শতাংশ বেড়েছে।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৫ শতাংশ ফরাসি জনগণ বলেছেন, তারা তাদের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে অক্ষম, এই সংখ্যাটি গত বছরের চেয়ে ছয় শতাংশ বেশি।
ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্য ফ্রান্সের রাজনীতিবিদ এবং জনসাধারণকে উদ্বিগ্ন করে চলেছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লে মায়ার বারবার খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে দাম কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন।
গত সপ্তাহে খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরে, লে মায়ার ঘোষণা করেছে ৫ হাজার পণ্যের খাদ্যের দাম বেঁধে দেয়া হবে।
লে মায়ার বিদেশি খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর প্রকাশ্য সমালোচনা করেন। কারণ তিনি মনে করেন সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কোম্পানিগুলো যথেষ্ট সহযোগিতা করছে না। সূত্র : ডেইলি সাবাহ।