প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৩ ১৯:৩৪ পিএম
বিপিও সামিটের দ্বিতীয় দিনে স্মল আইডিয়া বিগ ইমপ্যাক্ট নামের একটি সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। ছবি : সংগৃহীত
ব্যক্তি পর্যায় থেকে উদ্যোক্তা হতে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স এবং কর প্রদানের কাগজ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন সমস্যায় পড়ছেন ফ্রিল্যান্সাররা। এ ছাড়াও উদ্যোক্তারা তাদের কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাই এসব বিষয়ে দৃষ্টি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রবিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে দুই দিনের বিপিও সামিটে এসব কথা বলেন বক্তারা। সেমিনারের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনটাক্ট অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাকো)। সেমিনারের দ্বিতীয় দিনে স্মল আইডিয়া বিগ ইমপ্যাক্ট নামের একটি সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। দুদিনের সেমিনারে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছয় শতাধিক ফিল্যান্সার অংশগ্রহণ করেন।
সেশনটিতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভাইজার এক্স লিমিটেডের এমডি ফয়সাল মোস্তফা। তিনি বলেন, সারা দেশে লোডশেডিংয়ের সমস্যা সমাধান করা উচিত। সিটি করপোরেশনে না গিয়ে ঘরে বসেই ট্রেড সাইলেন্স পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন নতুন উদ্যোগে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধির দাবি জানান তিনি।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, একটানা হাজার বছর আমরা শাসিত হয়েছি। অন্য দেশে এ সময়টা হয়তো কম ছিল। এখন নিজস্ব পরিচয় নিয়ে দ্বিধাহীনভাবে এগিয়ে যেতে হবে। কোনো সংকোচ রাখা যাবে না। নিউটনের আপেল পড়ার ছোট চিন্তা থেকেই বড় কিছু হয়েছে। তাই সাইবার জগতে তরুণদের নিত্যনতুন চিন্তা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
বাকোর উপদেষ্টা আব্দুল কাফি বলেন, আয় বাড়াতে হলে কাজের কমিটমেন্ট টাইম ঠিক রাখতে হবে। এ সময় দেশে পেপাল চালু না করার সমালোচনা করে তিনি মন্ত্রণালগুলোর মধ্যে সমন্বয় নেই বলেও অভিযোগ করেন।
বাকোর পরিচালক ডা. তানজিবা রহমান বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংয়ের টাকা না আনলে সরকারি সুবিধা পাওয়া যাবে না। তখন নতুন উদ্যোগ নিতে গেলে ব্যাংক সহায়তা করবে না। তাই নৈতিকতা অনুশীলনের আহ্বান জানান তিনি।