প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৩ ২০:২১ পিএম
আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৩ ২১:৩৯ পিএম
প্রতিদিনের বাংলাদেশে ৯ জুলাই প্রকাশিত 'এবি ব্যাংকের হিসাবে শুভঙ্করের ফাঁকি' শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যাংকের হেড অব ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন তানিয়া সাত্তার স্বাক্ষরিত প্রতিবাদে দাবি করা হয়েছে প্রকাশিত সংবাদটি সত্য নয়।
এবি ব্যাংকের পাঠানো সেই প্রতিবাদে বলা হয়, ২০২২ সালের ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব ব্যাংকিং ইন্সপেকশন এর পত্র নং- ডিবিআই-৩/১০১/২০২৩-৭৪১, তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৩ এবং ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন এর পত্র নং-ডিওএস(সিএএমএস) ১১৫৭/৪১(ডিভিডেন্ড)/ ২০২৩-২২০০ তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৩ মোতাবেক চূড়ান্ত করা হয়। ২০২২ সালের শ্রেণিকৃত ঋণ ও সংস্থান ঘাটতি ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনের পৃষ্ঠা-নং-১৭১ ও ১৮০ তে যথাযথভাবে বর্ণিত হয়েছে। বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এবং এক্সচেঞ্জ কমিশনের ডিভিডেন্ড প্রদানের জন্য যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং মূল্য সংবেদনশীল তথ্য পত্রিকায় এবং ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য, এবি ব্যাংকের তথ্য গোপনের সংবাদটি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদন অনুযায়ী লেখা হয়েছে। বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত সব তথ্যের সঙ্গেই প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের মিল রয়েছে। এবি ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনের পৃষ্ঠা-নং-১৭১ এর তথ্য বলছে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট (নিম্নমান ,সন্দেহজনক, কুঋণ বা ব্যাড লোন) ৬ হাজার ৩১২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়েছিল ৩ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকার তথ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে এই চিত্র। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পরিচালিত বাৎসরিক পরিদর্শনে ধরা পড়ে ২ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা গড়মিল। যার প্রমাণ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
এদিকে, এবি ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনের ১৮০ নং পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সাল শেষে এবি ব্যাংকের প্রয়োজনীয় প্রভিশনের পরিমাণ ৮ হাজার ৮৫৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। ২ হাজার ৭২৬ কোটি পাঁচ লাখ টাকা সংরক্ষণ করায় প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়ায় ৬ হাজার ১২৮।