প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৩ ২০:১০ পিএম
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশন। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন লবণ সরবরাহ ও প্রাপ্তি নিশ্চিতে আটটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংস্থাটি কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিসিক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপজেলা ও জেলাভিত্তিক লবণের চাহিদা নিরূপণ, ডিলার অথবা পাইকারি লবণ বিক্রেতাগণের তালিকা হালনাগাদকরণসহ লবণ মজুদসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, চাহিদা অনুযায়ী মজুদ নিশ্চিত করা, ডিলার অথবা পাইকারি লবণ বিক্রেতাদের তালিকা স্থানীয় পর্যায়ে চামড়া সংরক্ষণকারীদের কাছে সরবরাহ, বিসিক আঞ্চলিক এবং জেলা কার্যালয়গুলোতে মনিটরিং টিম গঠন, জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে লবণ ও চামড়াসংক্রান্ত সভা আয়োজন, জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচার প্রচারণা ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে বিসিক প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিসিক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানিকৃত পশুর চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ এসময় বিসিকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে ১০ দশমিক শূন্য ৮ লাখ টন লবণের মজুদ রয়েছে। এ বছর চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য প্রাথমিকভাবে লবণের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ টন। সে হিসেবে, সভায় চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হয়।