প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৩ ২১:০৫ পিএম
প্রবা ফটো
প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। মানুষের মঙ্গলের জন্য সব সময় তিনি কাজ করতেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আবুল মাল আবদুল মুহিতের জুটি বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের চেহারা। প্রয়াত এই অর্থমন্ত্রীর চিন্তাধারা পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার কারণেই তিনি দেশের অর্থনীতির জন্য অতুলনীয় অবদান রেখে গেছেন।
শনিবার (২৭ মে) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম ইআরএফ আয়োজিত প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।
আবুল মাল আবদুল মুহিতের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৮১টি মিশনে জাতীয় দিবসগুলো উদযাপন করা হয় সরকারি খরচে। যার বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। যেসব বাঙালি বিদেশে থাকেন, তারা দেশে এলেই সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়েন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। কিন্তু এটা শুধু নামকাওয়াস্তে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এটা কী উন্নতমানের করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সেটাও করেছিলেন আমার প্রয়াত ভাই। কাজগুলো সম্পন্ন হলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হবে ঢাকা বিমানবন্দর।
তিনি আরও বলেন, ১৭ কোটি জনগণের দেশে মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ লোক ট্যাক্স দেয়। বাকিরা কেউই ট্যাক্স দেয় না। দেশের সব জনগণকে ট্যাক্সের আওতায় নিয়ে আসার জন্য মুহিত ভাই একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে, তারা সবাই ট্যাক্স দেবেন। কিন্তু এই উদ্যোগ তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। কারণ আমাদের সিস্টেম খুবই ধীরগতির।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক গভর্নর ফজলে কবির বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ছিলেন একজন ভালো লেখক এবং তার পাশাপাশি পাঠক। শিক্ষাগত জীবনে ইংলিশ নিয়ে পড়াশোনা করলেও তিনি ছিলেন একজন বিশাল অর্থনীতিবিদ। তিনি অর্থনীতির পাশাপাশি আরও অনেক বিষয় নিয়ে গবেষণা করতেন এবং বিশ্বের অনেক বিষয়াদির খবর রাখতেন। প্রখর মেধা ও সুন্দর একটি মনের অধিকারী ছিলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মাহবুব আহমেদ, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি সারমিন রিনভি, সাইফ ইসলাম দিলাল, মনোয়ার হোসেন, বর্তমান সভাপতি রেফায়েতুল্লাহ মৃধা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম প্রমুখ।