প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:০১ পিএম
আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:১০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় চীনের চাহিদা কম থাকার পরও জ্বালানি তেল উৎপাদন কমাবে না ওপেক প্লাস। তবে প্রয়োজনে জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশ মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়াসহ মিত্রদের এ সংগঠন নীতিগত সিদ্ধান্ত কিছুটা পরিবর্তন করতে পারে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার আলেকজান্ডার নোভাক। তিনি বলেন, ’রাশিয়া বছরের শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন ৫ শতাংশ বা ৫ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল উৎপাদন কমানোর পর চলতি মাসে তার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদনে পৌঁছেছে।’
এদিকে এ মাসের শুরুতে ওপেক প্লাস প্রতিদিন ১১ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল কম উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে। এ বিষয়ে নোভাক বলেন, ’রাশিয়ার তেল ও গ্যাস উৎপাদন ২০২২ সালে যেখানে ৫৩ কোটি ৫০ লাখ টন ছিল, তা এ বছর কমে প্রায় ৫১ কোটি ৫০ লাখ টন হবে।’ তবে সংস্থাটির এমন সিদ্ধান্তকে বুদ্ধিহীনতা হিসেবে বর্ণনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে সংস্থাটির উৎপাদন আরও কমাতে হবে কি না, জানতে চাইলে নোভাক বলেন, ‘না, অবশ্যই নয়। কারণ আমরা এক মাস আগেই উৎপাদন কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এটি মে থেকে কার্যকর হবে।’
তিনি আরও বলেন, ’ওপেক প্লাস উৎপাদন কমানোর পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে ঘাটতি আশা করেনি। যদিও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বলেছিল, ওপেক প্লাসের এ সিদ্ধান্ত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রত্যাশিত সরবরাহ ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।’
এখন জ্বালানি তেলের বাজার সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে জানিয়ে নোভাক বলেন, ‘জ্বালানি তেলের বাজার ঘিরে নেওয়া আগের সিদ্ধান্ত আমাদের ও অন্যান্য দেশের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে বলতে পারি, বর্তমানে বাজার অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ রয়েছে।’
সূত্র : রয়টার্স