প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৫:৩০ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৫:৫৪ পিএম
মঙ্গলবার ভোক্তা অধিকারের প্রধান কার্যালয়ে প্যাকেটজাত পণ্যের দাম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা হয়। ছবি : প্রবা
অধিকাংশ সুপারশপ নিত্যপণ্য প্যাকেটজাত করে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত মুনাফা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।
মঙ্গলবার ভোক্তা অধিকারের প্রধান কার্যালয়ে উৎপাদনকারী বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপারশপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত পণ্যের দাম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সফিকুজ্জামান।
মতবিনিময় সভায় ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক খুচরা বাজার এবং সুপারশপের দামের পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, ‘খুচরা বাজারে মানভেদে সুগন্ধি চাল ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও সুপারশপে ওই একই চাল প্যাকেটজাত করার ফলে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা দরে, যা একেবারেই নীতিবহির্ভূত কাজ। সুপারশপের এমন বাড়তি দামের রেশ পর্যায়ক্রমে এসে পড়ে খুচরা বাজারে। এতে লাভবান হচ্ছে সুপারশপগুলো। বিপরীতে ক্ষতির মুখে পড়ছে ভোক্তাসাধারণ।’
মিনিকেট চালের বিষয়ে সফিকুজ্জামান বলেন, ‘মিনিকেট চালের নাম ব্যবহার করে যেভাবে অতিরিক্ত মূল্য রাখা হচ্ছে তার জন্য বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মোটা চালকে নানাভাবে প্রক্রিয়াজাত করে মিনিকেটের নামে বিক্রি করা হচ্ছে কি না তা বের করে আনার চেষ্টা করা হবে।’
সভায় উৎপাদন বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং সুপারশপের প্রতিনিধি উভয়ই দাবি করেন সরকার নির্ধারিত দামে নিয়ম মেনেই পণ্য বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। ভোক্তার স্বার্থে মিলগেটের দামের ওপর কী পরিমাণ লাভ করা যাবে, তা সরকারকে সঠিকভাবে নির্ধারণ করে দেওয়ার আহ্বান জানান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপারশপ প্রতিনিধিরা।
প্রবা/ইউরি/এমজে