প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৯:৫৯ পিএম
আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৩ ২০:৪৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ওপেক প্লাসের জ্বালানি তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কায় এ খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতেই নিম্নমুখী রয়েছে জ্বালানি তেলের দাম।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ ডলার ৬৫ সেন্টে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত জ্বালানি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ২৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলার ৩২ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।
এদিকে বেশ কিছুদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী ছিল জ্বালানি তেলের দাম। তবে জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশ মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়াসহ এর মিত্রদের সংগঠন ওপেক প্লাসের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তের পর চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম ৬ শতাংশ বেড়েছে।
এ বিষয়ে জ্বালানি তেলের ব্রোকারিজ প্রতিষ্ঠান পিভিএমের অন্যতম কর্মকর্তা স্টিফেন ব্রেনক বলেন, ’সরবরাহ সংকটের কারণে যেমন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, তেমনি এভাবে দাম বাড়তে থাকলে এর চাহিদা আরও কমে যাবে। এ খাতের গতি কমে যাবে। ফলে আবার দাম নিম্নমুখী হবে।’
এদিকে দুই মাস ধরে মার্কিন ডলারের সূচক কম থাকলেও আজ তা আবার বেড়েছে। ফলে শক্তিশালী হয়েছে ডলার। এতে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার বিষয়টি আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : রয়টার্স