প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৩ ২০:৫১ পিএম
আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩ ২০:৫৮ পিএম
প্রবা ফটো
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতার চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা পুরো ব্যাংকের পারফরমেন্সের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে তা আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
শনিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ২১তম নুরুল মতিন মেমোরিয়াল লেকচার ‘ইথিকস ইন ব্যাংকিং’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গ্রামীন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. একেএম সাইফুল মজিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএমর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতের যেসব আন্তর্জাতিক মানের চর্চাগুলোর আলোকে বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও কর্তব্য আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। যাতে ব্যাংকিং খাতে করপোরেট গভর্নেন্সের চর্চা করা সম্ভব হয়।
মূল প্রবন্ধে প্রফেসর ড. একেএম সাইফুল মজিদ বলেন, ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতার চর্চা থাকলে ব্যাংকের সকল অংশীজনদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়। বিশেষ করে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষিত হয়। এমনকি ব্যাংকের মালিকদেরও স্বার্থ রক্ষা পাবে। ব্যাংকিং খাতের নৈতিকতা চর্চার কিছু সহজাত শক্তি এবং সুবিধা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতের খারাপ ব্যবস্থাপনা এ খাতে অনৈতিকতার চর্চা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত তিন দশকে ব্যাংকি খাতের ব্যর্থতার অন্যতম একটি কারণ অনৈতিক চর্চা। এ কারণে ব্যাংকিং খাতের ব্যর্থতার অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে।
বিআইবিএময়ের মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বিআইবিএম প্রতিবছর এ, এফ, এম, নুরুল মতিন স্মরণে মর্যাদাপূর্ণ স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে। এ বছর ২১তম স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেক্টরে প্রত্যেক বছর নৈতিকতার বিষয়ে নতুন বার্তা পেয়ে থাকে। এ বছর প্রফেসর ড. একেএম সাইফুল মজিদ মহোদয়ের বক্তৃতা ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।