প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৩ ১৪:৪১ পিএম
আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৩ ১৫:৫৯ পিএম
ছবি:সংগৃহীত
স্বাধীনতার পাঁচ দশকে দেশের অর্থনীতি পৌঁছেছে অনন্য উচ্চতায়। ব্যাংক, পুঁজিবাজারসহ অর্থনীতির সব খাত সমানভাবে এগিয়েছে। বাদ পড়েনি বীমা খাতও। তবে দেশের বীমা কোম্পানিগুলো নিয়ে অনেক নেতিবাচক আলোচনা রয়েছে। আশার কথা হলো চতুর্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানিগুলো সদর্পে এগিয়ে যাচ্ছে। এই যাত্রায় অগ্রভাগে রয়েছে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
জানা যায়, প্রতিষ্ঠার ৯ বছরে এসে কোম্পানির গ্রস প্রিমিয়াম দাঁড়িয়েছে ৬১৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট সম্পদ হয়েছে ৭১৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার। লাইফ ফান্ড রয়েছে ৫৭১ কোটি ৯৫ লাখ টাকার।
বীমা দাবি পরিশোধ নিয়ে কোম্পানিগুলো যখন উদাসীন তখন সোনালী লাইফ ৫৯ কোটি ২৪ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সারা দেশে কোম্পানিটি স্থাপন করেছে ১৬১টি ব্র্যাঞ্চ অফিস।
কোম্পানির এই সাফল্যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মীর রাশেদ বিন আমান। তার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, প্রযুক্তি জ্ঞান আর নিরলস পরিশ্রম কোম্পানিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। ফলে খাত সংশ্লিষ্টরা মীর রাশেদ বিন আমানকে বীমা শিল্পের ক্যারিশমাটিক লিডার বলে আখ্যায়িত করেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে কোম্পানিটি সিস্টেম, কমিটমেন্ট, সার্ভিস, কাস্টমার কেয়ার সব জায়গাতেই শীর্ষে রয়েছে। এ ছাড়া আইটি, ডিসিপ্লিন, বিজনেস গ্রোথ, করপোরেট কালচার, করপোরেট গভর্নেন্সে সোনালী লাইফ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।
তার দিকনির্দেশনায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে সোনালী লাইফের গ্রাহকসংখ্যা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির গ্রাহকসংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে চার লাখ। যা দেশের জীবনবীমা শিল্পে একটি মাইলফল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি সোনালী লাইফের গ্রাহকের আস্থার মূল্যায়ন করায় বদ্ধপরিকর, যার প্রতিদানও পাচ্ছেন। তার নেতৃত্বের কারণে সোনালী লাইফ দেশ-বিদেশের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও সংস্থাগুলোর নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। ফলে সোনালী লাইফের সাফল্যের মুকুটে একের পর এক যুক্ত হচ্ছে রঙিন পালক। সর্বশেষ গত বছরে প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে চারটি পুরস্কার।
সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ সামিটের (এসএপিএস) উদ্যোগে সাউথ এশিয়া বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২-এর চারটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা অর্জন করে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স। এগুলো হলো- ১. বেস্ট ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ইন প্রাইভেট সেক্টর, ২. বেস্ট ইউজ অব আইটি অ্যান্ড টেকনোলজি ইন ইনস্যুরেন্স সেক্টর, ৩. আউটস্ট্যান্ডিং ইয়ং লিডারশিপ এক্সিলেন্স ইন ইনস্যুরেন্স সেক্টর এবং ৪. বেস্ট ইউস অব মোবাইল টেকনোলজি ইন ইনস্যুরেন্স সেক্টর।